Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

আস্থাভোটে বিজেপির কয়েকজন বিধায়ক ভোট দেবেন সরকারপক্ষে, ইঙ্গিত সিদ্দারামাইয়ার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত শনিবার থেকে দফায় দফায় কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডি এস শাসক জোটের ১৮ জন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন। তারপরেও শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী দাবি করেছেন, আস্থাভোটে তাঁরাই জিতবেন। তাঁর সঙ্গে সুর মিলিয়ে এদিন কংগ্রেস নেতা সিদ্দ

আস্থাভোটে বিজেপির কয়েকজন বিধায়ক ভোট দেবেন সরকারপক্ষে, ইঙ্গিত সিদ্দারামাইয়ার

শেষ আপডেট: 12 July 2019 15:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত শনিবার থেকে দফায় দফায় কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডি এস শাসক জোটের ১৮ জন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন। তারপরেও শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী দাবি করেছেন, আস্থাভোটে তাঁরাই জিতবেন। তাঁর সঙ্গে সুর মিলিয়ে এদিন কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়াও বলেন, বিজেপি আস্থাভোটে ভয় পাচ্ছে। কারণ তারা জানে, তাদের দলে কয়েকজন বিশ্বাসঘাতক আছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সিদ্দারামাইয়া ইঙ্গিত করেছেন, আস্থাভোট হলে বিজেপির কয়েকজন বিধায়ক তাঁদের পক্ষে ভোট দেবেন। তার ফলেই সরকার এযাত্রা টিকে যাবে। সিদ্দারামাইয়ার কথায়, আমরা আত্মবিশ্বাসী। সেজন্যই আস্থাভোট চাইছি। বিজেপি ভীত। কারণ তারা জানে, দলে কয়েকজন বিশ্বাসঘাতক রয়েছে। কুমারস্বামী বলেছেন, আস্থাভোটে সরকারের গরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। স্পিকারকে তিনি বলেছেন, আস্থাভোটের দিন ঠিক করুন। এর পরেই শাসক কংগ্রেস ও জেডি এস এবং বিরোধী নিজেদের সব বিধায়ককে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে রিসর্টে। পাছে অন্য দল তাঁদের ভাঙিয়ে নেয়, সেজন্য সতর্ক রয়েছে সব পক্ষ। কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমার এখনও পর্যন্ত বিদ্রোহী বিধায়কদের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেননি। যদি ওই রেজিগনেশন লেটারগুলি গৃহীত হয়, তাহলে বিধানসভায় শাসক জোটের বিধায়কের সংখ্যা ১১৮ থেকে কমে দাঁড়াবে ১০০। বিধানসভায় তখন গরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন হবে ১০৫ জন বিধায়ক। বিজেপির ১০৫ জন বিধায়ক আছেন। তার ওপরে দুই নির্দল বিধায়কের সমর্থনে বিধানসভায় তাদের শক্তি দাঁড়াবে ১০৭। বিদ্রোহী বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন, স্পিকারকে তাঁদের ইস্তফা নিতে বলা হোক। বিচারপতিরা স্পিকারকে বলেছিলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ইস্তফা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিন সন্ধ্যায় ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক রমেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে ফের ইস্তফাপত্র জমা দেন। তারপরে ফিরে যান মুম্বইয়ে। গত শনিবার প্রথমবার ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে তাঁরা মুম্বইতেই আছেন। শুক্রবার স্পিকার সুপ্রিম কোর্টে বলেন, তিনি এখনও বিধায়কদের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী মঙ্গলবারের আগে এসম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ফলে কুমারস্বামী সরকার আরও কিছুদিন ক্ষমতায় থাকার সুযোগ পেয়েছে।

```