
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 27 May 2024 14:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংবাদপত্র এবং টিভি মাধ্যমে বিজেপির দেওয়া বিজ্ঞাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। আদালত বিজেপির বিরুদ্ধেই রায় দিয়েছিল। সিঙ্গল এবং ডিভিশন বেঞ্চ কোনওটিতেই সুবিধা পায়নি গেরুয়া শিবির। এরপরই তারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। দেশের শীর্ষ আদালতেও ধাক্কা খেল বিজেপি।
সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে তারা কোনও ভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে যে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল বিজেপি, তা প্রাথমিকভাবে 'অপমানজনক' বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের অবসরকালীন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ এমনই।
কলকাতা হাইকোর্টের জানিয়েছিল, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তৃণমূলের বিরুদ্ধে এইরকম কোনও বিজ্ঞাপন আর প্রকাশ করতে পারবে না বিজেপি। সেই রায়ও বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। দুই বিচারপতি এই রায় দিয়ে বলেছেন, বিজ্ঞাপনগুলি দেখা হয়েছে এবং তা দেখে বলাই যায় সেগুলি অপমানজনক। তাই যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা বহাল রাখা হচ্ছে।
বিজেপির এই বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনেরও সমালোচনা করেছিল। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ ছিল, কমিশন চাইলে আগেই এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে পারত। তবে বিজেপির দাবি ছিল, বিজ্ঞাপন কাণ্ডে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে শোকজ করেছিল কমিশন। তাই আদর্শ আচরণবিধি থাকাকালীন কী ভাবে আদালত কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি। যদিও সিঙ্গল বেঞ্চের পর হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েও তারা ধাক্কা খায়।