দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লিতে বিধানসভা ভোট হতে এক সপ্তাহের সামান্য বেশি বাকি। এর মধ্যে শুক্রবার নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি। তাতে দিল্লি শহরের 'নির্দিষ্ট সমস্যাগুলির' সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইস্তাহার প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন দিল্লির বিজেপি প্রধান মনোজ তেওয়ারি, বিজেপির তরফে দিল্লির ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা প্রকাশ জাভড়েকর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি ও হর্ষবর্ধন। মনোজ তেওয়ারি বিস্তারিত বলেন, দিল্লির জন্য তাঁদের দল কী করতে চায়। গড়করি বলেন, দেশের বিভিন্ন শহরের নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা বুঝে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
মনোজ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দিল্লিতে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রকল্প চালু করা হবে। সমাজের আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির যে মেয়েরা হায়ার সেকেন্ডারিতে এবং কলেজে পড়ছে, তাদের দেওয়া হবে ই-স্কুটার। শহরের দরিদ্র লোকজন দু'টাকা কেজি দরে গম পাবেন। প্রত্যেক বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে।
একইসঙ্গে ইস্তেহারে বলা হয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কলোনিগুলির উন্নয়নে পদক্ষেপ নেবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এর আগে দিল্লির ১৭২৮ টি অবৈধ কলোনিকে আইনি স্বীকৃতি দিয়েছে।
দিল্লিতে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আম আদমি পার্টি। এছাড়া আছে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলি চালানোর ঘটনা উল্লেখ করে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারে নেমে পড়েছে দুই দলই।
আম আদমি পার্টি বৃহস্পতিবারই অভিযোগ করেছিল, ১৭ বছরের যে ছেলেটি জামিয়ার বিক্ষোভকারীদের ওপরে গুলি চালিয়েছে, তাকে রক্ষা করছে বিজেপি। সে যখন রিভলভার নিয়ে মিছিলের দিকে যাচ্ছিল, পুলিশ তাকে থামায়নি।
এবার বিধানসভা ভোটের প্রচারে আপ দাবি করেছে, গত পাঁচ বছরে তাদের সাফল্য দু'টি। স্কুলশিক্ষা ও 'মহল্লা ক্লিনিক'। কেজরিওয়াল নিজেকে বলেছেন 'দিল্লির বড়ছেলে'। তাঁর বক্তব্য, সরকার উন্নয়নের সময় রাজনীতির রং বিচার করে না। তাঁর কথায়, "সম্ভবত ৭০ বছরে এই প্রথমবার দিল্লির মানুষ স্কুলশিক্ষা, হাসপাতাল ও পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য ভোট দেবেন। দিল্লির পুলিশ বিজেপির হাতে। কিন্তু যে বিষয়গুলি আমাদের হাতে আছে, সেখানে সরকারের কাজ দেখে মানুষ ভোট দেবেন।"