
Sukanta Majumdar and Suvendu Adhikari
শেষ আপডেট: 10 March 2024 17:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রবিবার সন্দেশখালির ন্যাজাটের আক্রাতলায় সমাবেশ করল বিজেপি। সেই সভা থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের আহ্বান, লোকসভায় সন্দেশখালি থেকে ১ লক্ষ ভোটের লিড চাই।
আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, শুধু শাহজাহানকে গ্রেফতার করলেই হবে না, তার সঙ্গীদেরও গ্রেফতার করতে হবে।
শুভেন্দু বলেন, "সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, সারা ভারতবর্ষ তার নিন্দা করেছে। রাজ্যের পুলিশ অপরাধীদের আড়াল করছিল। আদালতের চাপেই শেষ পর্যন্ত শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।"
এদিনের সভামঞ্চ থেকে সন্দেশখালির ধৃত তৃণমূল নেতা শেখ শাহাজাহানের সঙ্গীদের গ্রেফতারের দাবিও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, " শাহজাহানকে সিবিআই হেফাজতে নিয়েছে। এলাকার শান্তির পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখতে শাহজাহানের শাগরেদদেরও গ্রেফতার করতে হবে।"
সন্দেশখালির গরিব মানুষের রেশনের সামগ্রীও তৃণমূল লুঠ করেছে বলে এদিনের মঞ্চ থেকে অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা।
অন্যদিকে সন্দেশখালিই যে লোকসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম প্রধান ইস্যু হতে চলেছে, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বলেন, "সন্দেশখালির অত্যাচারের জবাব দিতে হবে এবারের ভোটে। সন্দেশখালি থেকে অন্তত ১ লক্ষ লিড চাই। তবেই বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতা যাবে।"
সন্দেশখালি অশান্ত হয়ে ওঠার পর দু'বার সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু পুলিশ তাঁকে ঢুকতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত গত মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারীকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, শুভেন্দু এবং শঙ্কর ঘোষ সন্দেশখালি যেতে পারবেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কোনও নেতা-কর্মী যেতে পারবেন না। হাইকোর্টের নির্দেশের পর সেদিন সন্দেশখালি ঢোকেন শুভেন্দু। দীর্ঘক্ষণ তিনি গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বলে আসেন, ফের তিনি সন্দেশখালি আসবেন।
এরপরই ১০ মার্চ সন্দেশখালির পাশে সুন্দরখালিতে সভা করতে চেয়ে পুলিশের কাছে আর্জি জানায় বিজেপি। পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষেই এদিন সন্দেশখালির আক্রাতলায় সভা করল বিজেপি।