
শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 25 November 2024 16:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচনে সবুজ ঝড় বয়ে গেছে। ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। ভোটের ফলে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদের প্রভাব যে পড়েনি তা কার্যত স্পষ্ট। সেক্ষেত্রে বিরোধী শিবিরের ব্যর্থতা যে আছে তাও পরিষ্কার। কিন্তু উপনির্বাচনের এই ফল নিয়ে বেশি ভাবতে চাইছেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ২০২৬ সালের ভোট নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।
দলের ভরাডুবি নিয়ে শুভেন্দু সাফ কথা, 'বাংলায় উপনির্বাচনে ভোটই হয় না। তাই কোনও বিপর্যয় হয়নি!' তবে তিনি এও বলেছেন, নির্বাচনমুখী সংগঠন, আন্দোলনমুখী দল বা মোর্চা করতে হবে এবার থেকে। সবসময়ে রাস্তায় থাকতে হবে। বিজেপি নেতার কথায়, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তিনি যুক্ত থাকেন না, তবে কোন কোন জিনিসের প্রয়োজন রয়েছে তা তিনি নিজের উপলব্ধি এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে বলতে পারেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন মন্তব্য করে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির এই হারের দায় নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে যে বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে সেই দাবি আবারও করেছেন শুভেন্দু। ধূপগুড়ির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, এক বছর আগের উপনির্বাচনে তাঁদের জেতা ওই আসনে ৪ হাজার ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে লোকসভায় সেই আসনেই বিজেপি প্রার্থী ২০ হাজার ভোটে জেতেন। এতএব উপনির্বাচনের ফলকে বিপর্যয় ভেবে লাভ নেই। ২৬ সালের ভোটে বাংলায় গেরুয়া ঝড় উঠবে। শুভেন্দুর সংযোজন, মাদারিহাট, নৈহাটি, তালডাংরা, মেদিনীপুর আসনও গেরুয়া হবে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও দাবি করেছেন, উপনির্বাচনে এমনই ফল হয়। কারণ, বহু এলাকায় ভোটই দিতে হয়নি। তবে ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। যা শুনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের কটাক্ষ, "উনি অলীক স্বপ্ন দেখছেন, স্বপ্ন দেখতে বাধা দেব কেন! বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং আগামীদিনেও থাকবেন।" কুণালের দাবি, উপনির্বাচনে পরাজয়ের ব্যর্থতা ঢাকতে এসব কথা বলতে হচ্ছে বিজেপি নেতাদের।