গজলডোবার কাছে বর্ষার জঙ্গলে রাতের অন্ধকারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে মদ খাচ্ছেন রাজ্যের দুই রাজনৈতিক দলের দুই নেতানেত্রী। একজন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সভাপতি, অন্যজন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী।

বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ও তৃণমূলের পঞ্চায়েত সভাপতি
শেষ আপডেট: 10 July 2025 16:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: গজলডোবার কাছে বর্ষার জঙ্গলে রাতের অন্ধকারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে মদ খাচ্ছেন রাজ্যের দুই রাজনৈতিক দলের দুই নেতানেত্রী (Jalpaiguri TMC BJP Viral Video)। একজন তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সভাপতি, অন্যজন বিজেপির (BJP) মহিলা মোর্চার সভানেত্রী। এমন একটি ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই তুমুল আলোড়ন পড়েছে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে। যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য় ওয়াল।
জলপাইগুড়ি জেলা BJP পার্টির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী শ্রীমতি দীপাবণিক অধিকারী নিজের গাড়ী জঙ্গলে রাস্তার পাশে লাগিয়ে মদ্যপান করছেন !
চাট হিসেবে রয়েছে Finger পাঁপড় !
বিস্তারিত ⬇️ pic.twitter.com/1UT6QR0ZXe— Divine Warrior (@Bishaktoguddu) July 10, 2025
এই ভিডিওকে (TMC BJP Viral Video) প্রথমে এআই ব্যবহার করে করা হয়েছে বলে দাবি করলেও পরে নিজের অবস্থান থেকে বেশ কয়েক কদম দূরে সরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সভাপতি পঞ্চানন রায় প্রশ্ন তোলেন, বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলা কি অন্যায়? তারপরেই অবশ্য তিনি বলেন, "আমি ক্ষমতার কেন্দ্রে আছি বলেই দলের ক্ষমতাহীনরা আমাকে ইচ্ছে করে বদনাম করেছেন। একই কথা খাটে বিজেপির নেত্রীর সম্পর্কেও। ভারতেরও সংবিধানে কি এটা আছে যে রাত ন'টার সময় কেউ কোনও মহিলার সঙ্গে কথা বলতে পারবে না?"
এই ভিডিও ভাইরাল (Jalpaiguri Viral Video) হওয়ার পরে অবশ্য এখনও দলের তরফে কোনও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি পঞ্চাননবাবুকে। তবে তিনি শুনেছেন বিজেপির নেত্রীকে প্রশ্ন করেছে তাঁর দল। পঞ্চাননবাবু বলেন, "ওই নেত্রী গজলডোবার দিক থেকে আসছিলেন। আমি যাচ্ছিলাম গজলডোবার দিকে। রাস্তায় দেখা হয়। তখন কি কথা বলা যাবে না! আমরা গরমের দিনে গজলডোবায় হাওয়া খেতে যাই। নদীর পারে খুব সুন্দর হাওয়া দেয়। তখনই আমাদের দেখা হয়। আমরা গল্প করি। বিরোধীদের সঙ্গে কি কথা বলা যাবে না? আমরা তো কোনও রিসোর্টে যাইনি। আমি লাটাগুড়িতে গেলে যে কোনও রিসোর্টের দরজা খুলে যাবে। কিন্তু উনি একজন মহিলা। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলেছি। এতে অন্যায়টা কোথায়!"
বেশ কয়েকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বিজেপির (BJP) মহিলা মোর্চার সভানেত্রী দীপা বণিক অধিকারীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি।