দ্য ওয়াল ব্যুরো : মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গীকে যে কোম্পানি টাকা দিত, তারাই এখন বিজেপিকে ডোনেশন দেয়। এক সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট উল্লেখ করে এমনই অভিযোগ করল কংগ্রেস। তাদের তাদের বক্তব্য, দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গী ইকবাল মেমন ওরফে ইকবাল মির্চির থেকে সম্পত্তি কিনেছিল একটি সংস্থা। সেজন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজর আছে ওই সংস্থার ওপরে। সেই কোম্পানিই বিজেপিকে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছে।
কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা টুইট করে বলেন, বিজেপির ডোনেশনের গল্পটা দিন দিন আরও গোলমেলে হয়ে উঠছে। কিছুদিন আগে নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এবার সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ায় অভিযুক্ত সংস্থার সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশের অভিযোগ উঠছে। ইকবাল মির্চিকে যে কোম্পানি টাকা দিয়েছিল, তারাই বিজেপিকে অনুদান দিয়েছে। এটা কি দেশদ্রোহ নয়? অমিত শাহ কী বলেন?
https://twitter.com/INCIndia/status/1197797753838899201
একটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, ‘সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ায় অভিযুক্ত’ একটি সংস্থা ২০১৪-১৫ সালে বিজেপিকে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনে বিজেপি যে হলফনামা দিয়েছে, তাতেই একথা জানা যায়। কংগ্রেসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহকে এর জন্য কৈফিয়ৎ দিতে হবে। তাদের আরও অভিযোগ, বিজেপি এমন তিনটি সংস্থার থেকে ডোনেশন নিয়েছে, যাদের সঙ্গে ইকবাল মির্চি সরাসরি যুক্ত ছিল। টুইট করে কংগ্রেস বলেছে, “সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে, এমন সংস্থার থেকে বিজেপি ডোনেশন নেয় কেন? প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবশ্যই এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।” বিজেপি এই অভিযোগের জবাব দিতে অস্বীকার করেছে।
ইকবাল মির্চি ছিল দাউদের ডানহাত। ১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণে সে অন্যতম অভিযুক্ত ছিল। একসময় সে মাদকের ব্যবসা করত। পরে ক্রিকেট বেটিং-এর কারবার শুরু করে। ২০১৩ সালে ব্রিটেনে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৬৩।