
শেষ আপডেট: 2 September 2024 16:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের বিচার চেয়ে বিজেপির ডাকা জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধল কোচবিহারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জল কামান ব্যবহার করে পুলিশ। প্রায় ঘণ্টাখানেক সময় ধরে জেলাশাসকের অফিস চত্বর একেবারে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়। আরজি করের নির্যাতিতার জন্য বিচার চেয়ে সোমবার জেলায় জেলায় জেলাশাসকের অফিসে অভিযানের ডাক দেয় বিজেপি। এই কর্মসূচি ঘিরে কম বেশি অশান্ত হয়েছে প্রায় সমস্ত জেলাই।
কোচবিহারে জেলাশাসকের অফিসে অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। বিজেপির মিছিল রুখতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। বড় বড় ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল জেলাশাসকের দফতরের চারপাশ। সেই ব্যারিকেড উপরে ফেলেই আন্দোলনকারীরা এগোতে থাকেন জেলাশাসকের অফিসের দিকে। পুলিশ বাধা দিলেই বেঁধে যায় ধুন্ধুমার। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি উঁচিয়ে ধেয়ে যায় পুলিশ। পরে জল কামান দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করে। নিশীথ প্রামাণিক অভিযোগ করেন, তাঁদের শান্তিপূর্ণ মিছিল যেভাবে আটকে দিয়েছে পুলিশ, কোনও গণতান্ত্রিক দেশে তার নজির মিলবে না। পুলিশের লাঠির ঘায়ে জখম হয়েছেন তাঁদের অসংখ্য কর্মী।
এদিন বিজেপির অভিযান ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে আলিপুরদুয়ার ও পূর্ব বর্ধমান, হুগলি-সহ অন্যান্য জেলাও। এদিন সকাল থেকেই হুগলির ঘড়ির মোরে ব্যারিকেড করে পুলিশ। আঁটোসাটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। প্রচুর পুলিশ-কমব্যাট ফোর্স ও র্যাফ মোতায়েন করা হয়। বিজেপি কর্মীরা ঘড়ির মোড়ে ব্যারিকেড ভাঙতেই তৎপর হয় পুলিশ। তারপরেই বেঁধে যায় হুলস্থুল। বিজেপির মহিলা কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে মহিলা পুলিশ বাহিনীর ব্যাপক ধস্তাধস্তি ঠেলাঠেলি শুরু হয়। অভিযোগ, পুলিশের লাঠি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। বিজেপির মহিলা কর্মী সমর্থকরা ডিএম অফিসের দিকে এগোতে চাইলে মহিলা পুলিশরা তাঁদের বাধা দেয়। শুরু হয় ব্যাপক ধস্তাধস্তি। এর পরেই এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে পুলিশের দিকে জুতো ছুড়তে দেখা যায়। জুতো হাতেই চলে বিক্ষোভ।