সুব্রতের শ্রাদ্ধবাসরে অভিষেক, স্মৃতিচারণায় ডুব দিলেন কংগ্রেস-তৃণমূল নেতারা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee) শ্রাদ্ধানুষ্ঠান উপলক্ষ্যে রবিবার তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে রাজনীতির নানা মুখ দেখা গেল। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক নেতা ভিড় করলেন সেখানে। সকলেই প্রিয় সতীর্থকে শেষ শ্রদ্ধা জা
শেষ আপডেট: 14 November 2021 09:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee) শ্রাদ্ধানুষ্ঠান উপলক্ষ্যে রবিবার তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে রাজনীতির নানা মুখ দেখা গেল। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক নেতা ভিড় করলেন সেখানে। সকলেই প্রিয় সতীর্থকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন। তবে বালিগঞ্জের এই শ্রাদ্ধবাসরে রবিবার দুপুর পর্যন্ত দেখা যায়নি বিজেপি বা সিপিএমের কাউকে। একডালিয়া ক্লাব প্রাঙ্গণে চলছে শ্রাদ্ধ।
হাওয়াই চটির ভয়ে পড়িমরি পালাল কুমির! মজাদার ভিডিওয় মজেছে নেটপাড়া
এদিন শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে এসেছিলেন তৃণমূল সাংসদ তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন সৌগত রায় থেকে শুরু করে তাপস রায়, কুণাল ঘোষ ও শাসকদলের অন্যরা। দেখা গেছে কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্যকেও। তবে বিজেপি বা সিপিএমের কেউ সেখানে যাননি। শুভেন্দু অধিকারীর আসার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত তাঁকে দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি ফুল পাঠিয়ে দিয়েছেন।
এদিন শ্রাদ্ধের সমস্ত কাজ করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ভাই দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছেলে অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়। সতীর্থের স্মৃতিতেই আরও একবার ডুব দিয়েছেন সৌগত রায়, তাপস রায় কিংবা আব্দুল মান্নানরা। সৌগত রায় জানিয়েছেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ওঁর সঙ্গে আমার যোগাযোগ। সুব্রতদার মতো সাহসী মানুষ আর দেখা যায় না।
স্মৃতিচারণায় মশগুল বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়ও। তিনি বলেন, সুব্রতদা সকলের সঙ্গে মিশতে পারতেন, সমবয়সি বা বড় ছোট। প্রাণবন্ত ছিলেন। যে কোনও পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারতেন। ৫০ বছর বাংলার রাজনীতিকে প্রাসঙ্গিক করে রেঝেছিলেন তিনি। হাসিখুশি ছিলেন। ঠোঁটে বাংলা প্রবাদ, সাবেকি কথাবার্তার জোগান থাকত সবসময়। বিধানসভায় আমরা বহুদিন পাশাপাশি বসতাম। সুব্রতদার চলে যাওয়াটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, তাঁদের দলগত বিভেদ কখনও বুঝতে দেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি যদি মেয়র না হতেন তবে কলকাতায় ইন্দিরা গান্ধীর মূর্তি স্থাপন করা যেত না কখনও। এবছর প্রতিবারের মতো পুজোর পর বিজয়া সারতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেছেন আব্দুল মান্নান। জানিয়েছেন, হাসপাতালে সুব্রতবাবুর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন কালকেই ছুটি হয়ে যাবে, তারপর বাড়িতেই গিয়ে দেখা করতে। কিন্তু কিছুই আর হয়নি।
কালীপুজোর দিন সন্ধ্যায় সব আলো নিভিয়ে চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'