
শেষ আপডেট: 14 May 2022 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে আচমকাই ইস্তফা দিয়ে দিলেন বিপ্লব দেব (Biplab Deb)। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, ত্রিপুরার রাজ্যপালের কাছে শনিবার ইস্তফা পত্র পেশ করেছেন বিপ্লব।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ‘নীরব মোদী’কে অশোকনগর থেকে ধরল ইডি, মোট গ্রেফতার ৬
মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে হঠাৎ এই ইস্তফায় শনিবার দুপুরে রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে আগরতলায়। বিপ্লবের (Biplab Deb) ইস্তফার পর শনিবার বিকেল ৫ টা নাগাদ বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে নতুন নেতা নির্বাচিত করা হবে। দলের একটি সূত্রের মতে, এই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন মানিক সাহা। তিনি বিধায়ক নন। ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতি। ফলে তাঁকে ছ'মাসের মধ্যে উপনির্বাচনে জিততে হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন জনজাতি ভোট টানতে উপমুখ্যমন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মাকে মুখ্যমন্ত্রী করতে পারে বিজেপি।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বিপ্লবের একের পর এক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দলের মধ্যেও তাঁর বিরুদ্ধে একাংশ নেতা অসন্তুষ্ট। এহেন পরিস্থিতিতে বিপ্লব একবার গণভোটের পর্যন্ত ডাক দিয়ে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন কিনা তা গণভোটে স্থির হবে। বিপ্লবের সেই ঘোষণা শুনে বেমক্কা চটে গিয়েছিলেন অমিত শাহ। তাঁকে ফোন করে ধমক দিয়েছিলেন বলেই খবর। ফলে সে যাত্রায় গণভোট থেকে পিছিয়ে এসেছিলেন বিপ্লব।
আগামী বছর ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। অনেকের মতে, বিপ্লবের কারণে যে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা তৈরি হচ্ছিল, তা মোকাবিলা করতেই সম্ভবত তাঁকে সরানো হয়েছে। খানিকটা উত্তরাখণ্ড মডেলও বলা যেতে পারে। যেমন ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতকে সরিয়ে পুষ্কর সিং ধামিকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। পুষ্করকে নিয়ে আসার পিছনে ছিল কুমায়ুন অঞ্চলের ভোট। আবার ত্রিপুরায় জনজাতি ভোট ফ্যাক্টর। সেখানে নতুন করে মাথা তুলেছে তিপ্রা মোথা। ফলে সব মিলিয়ে বিপ্লবের ইস্তফা জমিয়ে দিল ত্রিপুরার রাজনীতি।