
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 28 February 2025 16:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেঁচো খুড়তে কেউটে!
নিয়োগ মামলায় (recruitment case) আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ উঠেছিল মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ বা ডিপিএসসির চেয়ারম্যানের (Maldah DPSC chairman) বিরুদ্ধে। ওই মামলায় মালদহ ডিপিএসসির চেয়ারম্যান বাসন্তী বর্মন এবং কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশনকে শুক্রবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি (calcutta High court)।
সেখানেই নিয়োগের প্যানেল নিয়ে দুজন শিক্ষাকর্তা দু'রকম তথ্য তুলে ধরেন। যা দেখে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিচারপতি দুজনকেই তীব্র ভর্ৎসনা করেন। ক্ষুব্ধ বিচারপতি রাজশেখর মান্থাকে এও বলতে শোনা যায়, যথেষ্ট হয়েছে! আপনারা যে বক্তব্য আদালতে জমা দিয়েছেন তা পরস্পর বিরোধী!
এরপরই বিচারপতি জানিয়ে দেন, আদালতে জমা দেওয়া কমিশন ও ডিপিএসসির হলফনামা খতিয়ে দেখা হবে। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানি হবে। সেদিন দুই শিক্ষা কর্তাকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
আদালত সূত্রের খবর, ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলা কলকাতা হাইকোর্টের ভিন্ন বেঞ্চ এবং সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে আবার হাইকোর্টে ফিরে আসে গত বছর।
ওই মামলায় এদিন কমিশনের তরফে আদালতে জানানো হয় ৩১২ জনের নামই প্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে এবং তাঁদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
অন্যদিকে ডিপিএসসির তরফে আদালতে জানানো হয়, ২৪৫ জনের লিস্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে কেউ ২০১০ সালের অ্যাডমিট কার্ড দেখাতে পারেনি। অনেকে পরীক্ষাতে বসেনি।
শিক্ষা দফতরের দুই কর্তার ভিন্ন মত এবং ভিন্ন ভিন্ন পরিসংখ্যান দেখে এরপরই দুজনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি।