
শেষ আপডেট: 9 April 2024 14:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: এনআইএর আক্রান্ত আধিকারিককে মেডিক্যাল রিপোর্ট-সহ থানায় আসার নোটিস দিল জেলা পুলিশ। ভূপতিনগর থানায় এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। শনিবার ভোররাতে ভূপতিনগরে অভিযানের সময় এনআইএর এক আধিকারিক তাঁর শ্লীলতাহানি করে বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গ্রামের এক বধূ। ওই আধিকারিককেও থানায় দেখা করার নোটিস দেওয়া হয়েছে।
১১ এপ্রিলের মধ্যে এনআইএর ওই দুই আধিকারিককে সমস্ত নথি-সহ ভূপতিনগর থানায় দেখা করতে বলা হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য যে গাড়িটির কাচ ভাঙা হয়েছে, সেই গাড়িটিকেও নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে আসতে বলা হয়েছে এনআইএকে।
গত তিন দিন ধরে খবরের শিরোনামে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল ভূপতিনগরে। আদালতের নির্দেশে বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করে এনআইএ। গ্রামের আট তৃণমূল নেতাকে তদন্তের জন্য কলকাতায় তলব করা হলেও তারা কেউই আসেননি বলে অভিযোগ। এরপরেই শনিবার ভোরে তাদের খোঁজে গ্রামে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।
তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বলাইচরণ মাইতি ও বুথস্তরের নেতা মনোব্রত জানাকে পাকড়াও করে আনার সময় গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয় এনআইএর আধিকারিকদের। অভিযোগ, এনআইএর গাড়ি ভাঙচুর হয়। গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। পাথরের আঘাতে মাথা ফাটে এক এনআইএ আধিকারিকের। এনআইএর আধিকারিকের বিরুদ্ধে পাল্টা শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন গ্রামের এক মহিলা। এনআইএর উপর হামলার ঘটনায় হুলস্থুল পড়ে যায় গোটা রাজ্যে। তারপর থেকেও অশান্তি চলছে দফায় দফায়।
সোমবার রাতে ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ ছাড়া বিজেপি বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে এক নেতাকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল বচসা শুরু হয় ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক এবং ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতির মধ্যে। কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটির পরে পুলিশ চলে যায়। পুলিশ দাবি করে, এক অভিযুক্তকে তাড়া করার সময় তিনি গা ঢাকা দিতে বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে পড়েছেন। তাঁকে ধাওয়া করে পুলিশও বিধায়কের কার্যালয়ে ঢোকে। এরপর পুলিশের কাছে ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ দেখতে চান বিধায়ক। সে নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়।