
সুনীতিকুমার স্মারক বক্তৃতামালা
শেষ আপডেট: 26 November 2024 20:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা ভাষা একটি প্রাচীন ও ঐশ্বর্যমন্ডিত ভাষা। বহু বাধা-বিঘ্ন পেরিয়ে ক্রমশ এই ভাষা বিকশিত হয়েছে। একটি দেশ ও জাতির উন্নতিতে সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম। এই কথা মাথায় রেখেই ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শুরু হল সুনীতিকুমার স্মারক বক্তৃতামালা। প্রদীপ জ্বালিয়ে আলোচনাসভার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও বাণিজ্য অনুষদের অধ্যক্ষ অধ্যাপক পার্থসারথি দে। তিনি বলেন, 'সুনীতিকুমার জাতীয় অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ। তাঁরই জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে যে স্মারক বক্তৃতার সূচনা হল সেটি নিশ্চিতরূপে অভিনব। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে এই বক্তৃতা সিরিজ গবেষককে সমৃদ্ধ করবে।'
বাংলা ভাষাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস জানালেন, 'রবীন্দ্রনাথের একাধিক লেখায় সুনীতিকুমারের প্রসঙ্গ আছে। সুনীতিকুমারই ও.ডি.বি.এল গ্রন্থে দেখিয়েছেন, বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ কিন্তু কথ্য রূপে সেটি আরও প্রাচীন। বাংলা ভাষা গবেষণায় তাঁর অবদানকে স্মরণে রেখেই বিভাগে স্মারক বক্তৃতার সূচনা হল।' প্রায় চারশো ছাত্রছাত্রী ও গবেষকের উপস্থিতিতে আজকের সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবিত্রী নন্দ চক্রবর্তী, প্রবীর প্রামাণিক, সঞ্জিৎ মণ্ডল, শ্যামশ্রী বিশ্বাস সেনগুপ্ত, তুষার পটুয়া, পীযূষ পোদ্দার, সীমা সরকার প্রমুখ।
সম্প্রতি বাংলা ভাষা ধ্রুপদী তকমা পাওয়ায় স্মারক বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘বাংলা ভাষায় ধ্রুপদীয়ানা’। মূল বক্তা নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সেক্রেটারি স্বামী শাস্ত্রজ্ঞানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, 'বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনত্ব এবং এর যে অনন্য ঐতিহ্য, তার জন্যে এই ভাষা ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পেয়েছে। এতে আমরা সকলেই আনন্দিত এবং ভাবীকালের ছাত্রছাত্রীদের এই গৌরব নিশ্চয়ই প্রাণিত করবে।'