Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

করোনা উপেক্ষা করেই কাশীতে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহাসিক 'ভরত মিলাপ'

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ বছর বনবাস কাটিয়ে ভাই ভরতের সঙ্গে অযোধ্যা ফিরেছিলেন ভগবান রাম। সঙ্গে ছিলেন পত্নী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণ। সেই বিশেষ সময়কে মাথায় রেখে প্রতি বছর দশেরা বা দশমীর পরের দিন ভরত মিলাপ (Bharat Milap) উৎসব পালিত হয় প্রথা মেনেই। এই বছরও

করোনা উপেক্ষা করেই কাশীতে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহাসিক 'ভরত মিলাপ'

শেষ আপডেট: 17 October 2021 07:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ বছর বনবাস কাটিয়ে ভাই ভরতের সঙ্গে অযোধ্যা ফিরেছিলেন ভগবান রাম। সঙ্গে ছিলেন পত্নী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণ। সেই বিশেষ সময়কে মাথায় রেখে প্রতি বছর দশেরা বা দশমীর পরের দিন ভরত মিলাপ (Bharat Milap) উৎসব পালিত হয় প্রথা মেনেই। এই বছরও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। শনিবার ধুমধামের সঙ্গে বারাণসীতে পালিত এই ঐতিহাসিক উৎসব। তবে এই উৎসবে আমন্ত্রণ পায়নি করোনা! গতকাল হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটেছে বারাণসীর নাতি ইমালি মাঠে। করোনার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই মানুষের ঢল নেমেছিল এই উৎসবে। ছবি থেকে স্পষ্ট যে, করোনা বিধি তোয়াক্কাই করেনি উপস্থিত ভক্তরা। শহরের ঐতিহ্যকে এইভাবেই প্রতিবছর এগিয়ে নিয়ে যান ভক্তরা। আধ্যাত্মিকতা, প্রাচীনত্ব এবং ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটে ভরত মিলাপ উৎসবে। ইমালি মাঠ থেকে কয়েক মিটারের দূরে অবস্থিত চিত্রকূট রামলীলা ভবনে ভগবান রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের পূজার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। আরও পড়ুন: মিশন শক্তি: উপত্যকায় মেয়েদের আত্মরক্ষার পাঠ দিচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ মাথায় গেরুয়া গামছা, পরনে সাদা ধুতি এই পোশাকেই ভক্তরা রামলীলা ভবন থেকে কাঁধে করে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার রথ মাঠে নিয়ে আসেন। এই রথকে ঘিরেই উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। মাঠে শুধু শোনা যায় 'হর হর মহাদেব', 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি। মাঠে রথ পৌঁছানোর পরেই শুরু হয় পুজোপাঠ। আগের বছরের মতো এবছরও এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কাশীর রাজপরিবারের প্রধান কুনওয়ার অনন্ত নারায়ণ সিং। আগের বছরের মতোই এবছরেরও বহু ভক্ত সমাগম ঘটেছে এই উৎসবে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মকে এই উৎসবে মেতে ওঠার চিত্র চোখে পড়ার মতো। বাইরে থেকেও বহু মানুষ এই উৎসবে অংশ নেওয়ার জন্য চলে আসেন আগে থেকেই। এবছরেরও একই চিত্র দেখা গেল। কাশীর হোটেলগুলো ভক্তদের ভিড়ে ঠাসা। এই বৃহৎ উৎসব ঘিরে নিরাপত্তাও ছিল আঁটোসাঁটো। বহু পুলিশ ভিড়ের মধ্যে সাদা পোশাকে ঘুরে বেরিয়েছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসন। পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'

```