
বেচারাম মান্না
শেষ আপডেট: 7 September 2024 23:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডের মাঝে হরিপালে ক্লাস নাইনের এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে উত্তাল হয়েছে রাজ্য। এই ঘটনার প্রতিবাদে হরিপাল থানার সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। সেই বিক্ষোভকে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না। তাঁর কটাক্ষ, ''রাম-বাম এক হয়েছে, ওরা ভাবছে এটা বাংলাদেশ।''
হরিপালের পুলিশ সুপার ইতিমধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজে, বাজেয়াপ্ত করা জামাকাপড় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অপহরণ ও নির্যাতনের প্রমাণ মেলেনি। আরও তথ্য পেলে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। এই ইস্যুতে বেচারাম মান্নার বক্তব্য, বিরোধীদের কাছে আর কোনও ইস্যু নেই। তাই বাম-বিজেপি এক হয়েছে।
শুক্রবার বেশ কয়েক দফা দাবি নিয়ে হুগলি গ্রামীন পুলিশের সুপারের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও হরিপালের বিধায়ক করবী মান্না। তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেচারাম মান্না বলেন, ''হরিপালের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সিপিএম এবং বিজেপি চক্রান্ত করে সিঙ্গুর ও হরিপালের বদনাম করছে। ওদের আর কোনও ইস্যু নেই। বাংলাদেশের একটা ইস্যু ধার করে ভাবছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করবেন। তবে সঠিক তদন্ত করে সত্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।'' হরিপাল থানায় বামেদের ছাত্র যুব সংগঠন ও বিজেপি এক সঙ্গে থানা ঘেরাও কর্মসূচি করায় আরও আক্রমণ শানান তিনি।
এক বছর পনেরোর নাবালিকাকে শুক্রবার সন্ধেয় অচৈতন্য অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। খবর পেয়ে হরিপাল থানার পুলিশ নাবালিকাকে উদ্ধার করে হরিপাল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় তাঁর। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৫ (যৌন হয়রানি), ৭৬ (আক্রমণ বা অবৈধ বল প্রয়োগ), ১২৬ (২) (বেআইনি গতিরোধ), ১৩৭ (২) (অপহরণ), ১১৫ (২) (ইচ্ছাকৃত আঘাত), ৩৫১ (২) (অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন এবং ৮ (পকসো) আইনে মামলা রুজু হয়েছে।