
রণক্ষেত্র বারাসতের কাজিপাড়া।
শেষ আপডেট: 14 June 2024 00:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: '১০টাকা দাও চপ মুড়ি খাব'। বাবার সঙ্গে সেই শেষ কথা, শেষ দেখা।
তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল বারাসাত পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাজিপাড়া এলাকার ১১ বছরের বালকটি। রবিবার সন্ধে থেকে রাত পর্যন্ত সমস্ত জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরেও ফারদিন নবির হদিশ না পেয়ে বারাসাত থানা এবং রেল পুলিশের কাছে মিসিং ডায়েরি করেছিল পরিবার। পাঁচদিন পর বৃহস্পতিবার বাড়ির অদূরের একটি শৌচালয় থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় কিশোরের পচা গলা দেহ উদ্ধার হয়।
তারপরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃত বালকের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা। পরিবারের বক্তব্য, "পুলিশ তাহলে এই ক'দিন কী করছিল? এতদিন ধরে যতবার থানায় যাওয়া হয়েছে, শুধুই বলেছে- 'দেখছি, তদন্ত চলছে'।"
এরপরই দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা গেঞ্জি মিলের কাছে যশোর রোড অবরোধ করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে পুলিশের উপরে চড়াও হয় স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরেই ওই বালককে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে দেহ উদ্ধার করে বারাসত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বালকের দেহর ময়নাতদন্ত হবে।