
শেষ আপডেট: 4 March 2023 08:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীর বেড়াতে গেলেই পাহাড়ি লোমশ কুকুরগুলো (stray dog) আদর কেড়ে নেয় পর্যটকদের। তাদের কেউ বিস্কুট দেন ভালবেসে। তবে মহাভারতের সেই পথ দেখিয়ে চলার ট্র্যাডিশন যেন আজও পালন করে চলেছে গুলমার্গের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের সারমেয়রা। গুলমার্গের সীমান্ত এলাকায় যে সেনা ছাউনি রয়েছে সেখানকার অতন্দ্র প্রহরীদের (soldier) প্রাথমিক অ্যালার্ম হিসেবে রয়েছে এই চারপেয়েরাই।
গুলমার্গের এই উচ্চতায় ছাউনিগুলো বেশিরভাগ সময়েই ঢাকা থাকে বরফে। আর সেখানেই সৈনিকরা নিজেদের শরীরকে গরম রাখতে সঙ্গী করেন কুকুরদের। পাশাপাশি, যে কোন বিপদের সংকেতও সবার আগে প্রভুদের কাছে পৌছে দেয় তারা। ফলে সজাগ হয়ে যান সীমান্ত প্রহরীরা।
সেনা অফিসারদের কথায়, এই অঞ্চলগুলোতে খাদ্যের জোগান খুবই সীমিত। তবু তার মধ্যে থেকেই সেনারা বিস্কুট খাওয়ায় তাদের সঙ্গী এই চারপেয়েদের। স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রতিদানও দেয় এই সারমেয়রা।
পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ রেখার দিকে পাহারার সময় একদল কুকুর সবসময়ই দলের সামনের সারিতে থেকে যেন নেতৃত্ব দেয় দলকে। এর ফলে, শত্রুদের দিক থেকে কোনওরকম আক্রমণের সম্ভাবনার আঁচ পেলেই সতর্ক করে দেয় বাহিনীকে।
গুলমার্গের এই পার্বত্য অঞ্চলে সেনাদের দ্রুত বদলি করা হয়। ফলে পোষ্যদের সঙ্গে সেনাদের এই বন্ধন কখনওই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বদলে যায় প্রভু, তবু থেকে যায় এই চতুষ্পদেরা। শীতে উষ্ণতা দেওয়া অথবা শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার কর্তব্যে অবিচল থাকে গুলমার্গের সারমেয়বাহিনী। সমতল থেকে দুর্গম পার্বত্যভূমি, সর্বত্রই মানুষের পাশে থেকে বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে উঠেছে কুকুর তা সে বাড়িতেই থাক বা পথে।
করোনা ভ্যাকসিন স্পুটনিক ফাইভ-এর আবিষ্কর্তা বাড়িতে খুন! আততায়ী এক যৌন অপরাধী