দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যুইটারকে চেপে ধরল সংসদীয় কমিটি। গত সপ্তাহে আচমকা কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের অ্যাকাউন্ট বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্লক করে রেখেছিল ট্যুইটার। একই ব্যাপার ঘটেছিল কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুরের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেও। সূত্রের খবর, কেন এমন করা হয়েছিল, তা দুদিনের মধ্যে জানাতে বলে ট্যুইটারকে আজ চিঠি দিয়েছে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি। তার চেয়ারম্যান তারুরই। তিনিই ট্যুইটারের কাছে জবাব চেয়ে পাঠাতে প্যানেলকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এমনিতেই দেশের নয়া তথ্য ও প্রযুক্তি আইন পালনে ব্যর্থতার জন্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ট্যুইটার। গত সপ্তাহে মাইক্রোব্লগিং সাইটটি ঘন্টাখানেক রবিশঙ্করের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে রাখে। তিনি মার্কিন ডিজিটাল মিলেনিয়াম অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছেন, এই যুক্তি দেখায় ট্যুইটার। ফলে সরকারের সঙ্গে তাদের সংঘাত আরও তীব্র হয়। তবে রবিশঙ্করও পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ট্যুইটার কেন নয়া তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ভেঙেছে। নয়া আইন অনুসারে কোনও অ্যাকাউন্টে অ্যাকসেস লক করার আগে ইন্টারমিডিয়ারিকে আগাম নোটিস দিতে হবে। ট্যুইটার নিজেদের এজেন্ডা অনুসারে চলছে, চরম একপেশে আচরণ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রবিশঙ্করের পর কংগ্রেস নেতা তারুরও ট্যুইট করে একই অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, রবিজি, একই ব্যাপার হয়েছে আমার সঙ্গেও। স্পষ্ট, ডিএমসিএ হাইপারঅ্যাক্টিভ হয়ে উঠছে। এই ট্যুইটটা ট্যুইটার ডিলিট করে দিয়েছে কেননা তার ভিডিওতে কপিরাইট থাকা বনি এমের গান রাসপুটিন অন্তর্ভুক্ত আছে। তারুর আরও লেখেন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে আমি বলতে পারি, আমরা রবিশঙ্কর প্রসাদ ও আমার অ্যাকাউন্ট লক করার ব্যাখ্যা চাইব ট্যুইটার ইন্ডিয়ার কাছে। ভারতে অপারেট করার ক্ষেত্রে তারা কী নিয়মপদ্ধতি মেনে চলে, তাও জানতে চাইতে পারি।
পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী একহাত নেন ট্যুইটারকে। প্রতিদ্বন্দ্বী সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কু-তে একগুচ্ছ পোস্ট করে তিনি লেখেন, মনে হচ্ছে, তিনি ট্যুইটারের ‘একপেশে, কঠোর আচরণের’ বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিবৃতি দেওয়ার পর মৌচাকে ঢিল পড়েছে।