দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে মহারাষ্ট্রের গডচিরোলিতে কমপক্ষে ২৬ মাওবাদী সম্প্রতি নিহত হয়েছে যাদের মধ্যে আছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপিআই(মাওবাদী)র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও। তার মধ্যেই পাল্টা মাওবাদী সন্ত্রাস (maoist) (terror) অব্যাহত রয়েছে। বিহারের গয়া (gaya) জেলায় সালিশি সভা বসিয়ে একটি পরিবারের চারজনকে ফাঁসি দিয়ে (hanging) তাদের বাড়িটি ডিনামাইট বিস্ফোরণে (blast) উড়িয়ে দিয়েছে মাওবাদীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
দুমারিয়ার মনবার গ্রামের সরযূ ভোক্তার দুই ছেলে সত্যেন্দ্র সিং ভোক্তা, মহেন্দ্র সিং ভোক্তা ও তাদের স্ত্রীদের হাত-পা ও চোখ বেঁধে বাড়ির সামনে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। বাড়ির দরজায় মাওবাদীরা পোস্টার সেঁটে জানিয়ে দিয়েছে, পরিবারটিকে খুন, ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এই সাজা দেওয়া হল। পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে, অমরেশ কুমার, সীতা কুমার, শিবপূজন কুমার, উদয় কুমার-এই চার মাওবাদীকে অতীতে বিষ দিয়ে মেরে ফেলায় জড়িত ছিল পরিবারটি। ‘বেইমানদের’ এমন কঠিন শাস্তি হবে বলেও হুঁশিয়ারি রয়েছে পোস্টারে। যদিও ঘটনা হল, বছরখানেক আগে মনবার গ্রামে পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে খতম হয় ওই চার মাওবাদী। কিন্তু মাওবাদীদের দাবি, ওটা ভুয়ো সংঘর্ষ ছিল। মাওবাদীরা যে বাড়িতে ছিল, তার মালিক ওদের বিষ খাইয়ে পুলিশকে ডাকে। পুলিশ এসে সাজানো সংঘর্ষে মেরে ফেলে ওদের।
গত বেশ কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম মাওবাদীরা গণ আদালত বসিয়ে কাউকে সাজা দিল।
গত বছর ফেব্রুয়ারিতে সন্দেহভাজন মাওবাদীরা গয়ার একটি স্কুলবাড়ি বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিয়ে যাওয়ার আগে সিএএ, এনপিআর, এনআরসি ও ‘ফ্যাসিস্ত বিজেপি সরকার’ বিরোধী লিফলেট ছড়িয়ে যায়। সেপ্টেম্বরে ২০০৩ সালে ১১ বিহার পুলিশ জওয়ান হত্যায় অভিযুক্ত চেরন নামে এক ওয়ান্টেড মাওবাদী রোহতাসের যদুনাথপুরে গ্রেফতার হয়। ২০০৩ এ নওহাট্টা থানা এলাকায় মাওবাদীরা পুলিশের একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল যাতে ১১ পুলিশকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন।