দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড়সড় ট্র্যাজেডি থেকে বাঁচল বিমান বাংলাদেশের একটি বিমান। মস্কো থেকে ঢাকা আসার পথে মাঝ আকাশে বিমানের ক্যাপ্টেনের আচমকা হার্ট অ্যাটাক হয়। বিমান তখন ছত্তিশগড়ের রায়পুরের কাছে। বিমান থেকে সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কলকাতা এটিসি সমন্বয়ের মাধ্যমে পাইলটকে নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বলে। সেইমতো তিনি বিমান নামান নাগপুর বিমানবন্দরে। ক্যাপ্টেনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাত্রীরাও সবাই নিরাপদে আছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে বিমান পরিষেবা ফের চালু করে। ভারত, বাংলাদেশে কোভিড ১৯ সংক্রমণ ছড়ানোয় দুদেশের মধ্যে বিমান চলাচল দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ঢাকা টাইমস এর খবর, ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাতায়াত করবে। ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে চলাচল করবে দুটি ফ্লাইট।
ঢাকা থেকে কলকাতায় ফ্লাইট আসবে রবিবার,মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার। দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা থেকে বিমান ছাড়বে রবিবার, বুধবার।
এদিকে রায়পুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর ২০১৫ থেকে পড়ে থাকা একটি বাংলাদেশি বিমান সরানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঢাকা থেকে মাস্কাট যাওয়ার পথে ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় বিমানটি ওখানে নেমেছিল। সেটি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিমান। কোম্পানিটাই উঠে গিয়েছে। প্রায় ৬ বছর পরও ম্যাকডনেল ডগলাস এমডি ৮৩ বিমানটি রায়পুর বিমানবন্দরের ৮টি বে-র একটি দখল করে রয়েছে। গত কয়েক বছরের টানাপড়েনের পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া বিমানটি সরানোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে। এপর্যন্ত পার্কিং ফি হয়েছে ১.২৫ কোটি টাকা। বকেয়া রয়েছে এই অর্থ।