দ্য ওয়াল ব্যুরো: লিভ ইন সম্পর্ক (live in relations) স্বাভাবিক বলে মনে করে না সমাজ (society)। সামাজিক বিয়ে না করেও একসঙ্গে দুটি পুরুষ, নারীর থাকাকে বাঁকা নজরেই দেখতে অভ্যস্ত আমরা। কিন্তু এলাহাবাদ হাইকোর্ট (allahabad high court) শুক্রবার কার্যতঃ লিভ ইনকে বৈধতাই দিল। বলল, এমন সম্পর্ক জীবনের সহজ, স্বাভাবিক (part and parcel) ব্যাপার হয়ে উঠেছে এবং সামাজিক নৈতিকতার ধারণার চেয়ে বরং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের দৃষ্টিভঙ্গিতেই তাকে দেখা উচিত।
দুজোড়া ভিনধর্মী যুগলের দায়ের করা পৃথক পিটিশনের মীমাংসা করে বিচারপতিদ্বয় প্রীতিনকর দিবাকর ও আশুতোষ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ এহেন অভিমত জানিয়েছে। পিটিশনে দুটি মেয়ের পরিবারই তাদের দৈনন্দিন জীবনে হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একটি পিটিশন দায়ের করেছেন শাহইয়ারা খাতুন ও তাঁর খুশিনগরবাসী সঙ্গী। উভয়েই প্রাপ্তবয়স্ক, দুবছরের ওপর লিভ ইন সম্পর্কে রয়েছেন। আরেকটি পিটিশন জনৈক জিনাত পরভিন ও তাঁর মিরাটের পার্টনারের। তাঁরাও সাবালক, গত এক বছর হল একসঙ্গে থাকেন। শাহইয়ারা ও জিনাত তাঁদের সঙ্গীর নাম প্রকাশ করেননি।
দুজনেরই অভিযোগ এক। তাঁরা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চেয়ে আবেদন করা সত্ত্বেও সাড়া পাননি। ফলে তাঁদের জীবন ও স্বাধীনতা বিপন্ন। শুরুতে হাইকোর্ট অভিমত জানায়, সংবিধানের (article) ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় জীবনের অধিকারকে (right to life) যে কোনও মূল্যে রক্ষা করতে হবে। সেইসঙ্গে বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লিভ ইন পার্টনারশিপ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত তা অনুমোদন করেছে।
পিটিশনারদের অধিকার রক্ষা করা পুলিশ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, বলেছে হাইকোর্ট।