
কাটোয়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ!
শেষ আপডেট: 6 September 2024 14:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠল এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশুকে। এখন তাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। সব ফাঁস হয়ে যেতেই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা হয়ে গেছে।
কাটোয়া থানার এলাকার একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা শিশুর পরিবার জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে ওই শিশু প্রতিবেশী চরণ মাঝির বাড়িতে ভুট্টা কিনতে গিয়েছিল। নাতনি বাড়ি ফিরছে না দেখে শিশুর দাদু ওই প্রতিবেশীর বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, নাতনি রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদছে। বমি করছে। অসুস্থ নাতনিকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে বাড়িতে আসেন। মেয়ে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিবারের লোকজন তাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে।
শিশুকে পরীক্ষা করার পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বুঝতে পারেন, যে তার উপর যৌন নির্যাতন হয়েছে। চিকিৎসক বাড়ির লোকেদের জানান, শিশুটি বিপদমুক্ত। তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। গোপনাঙ্গে আঘাতের ফলে প্রচুর রক্তপাত হয়েছে। শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে কাটোয়া থানার পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।
শিশুর ঠাকুমা বলেন, "এর আগে কোনদিন নাতনিকে ভুট্টা আনতে পাঠাননি তারা। তিনি মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল। বাড়িতে বৌমা ছিল। তাই নাতনি ভুট্টা আনতে গেছিল। এমন কোনও অঘটন ঘটে যাবে তারা বুঝতে পারেননি।"
প্রৌঢ়া জানিয়েছেন, নাতনি বাড়িতে আসছে না দেখে তাঁর স্বামী অভিযুক্তের বাড়ি তাকে খুঁজতে গেছিলেন। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থা নাতনিকে কাঁদে দেখেন। বাড়িতে তখন কেউ ছিল না। সেখানে থেকে নাতনিকে বাড়িতে নিয়ে এলে সে বমি করতে থাকে। তাঁরা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন যে নাতনি সঙ্গে কোনও জঘন্য কাজ করেছে অভিযুক্ত প্রতিবেশী। অসুস্থ নাতনিকে নিয়ে তাই তাঁরা হাসপাতালে আসেন। ওই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত চরণ মাঝি বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময়ে তার স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময়ে এই সুযোগেই ওই শিশুর উপর যৌননির্যাতন চালিয়েছে।