
শেষ আপডেট: 28 September 2021 14:13
কানহাইয়া দেশের শতাব্দীপ্রাচীন দলে সামিল হওয়ার পর বলেন, কংগ্রেসে (congress) যোগ দিচ্ছি, কেননা এটা শুধু পার্টি নয়, একটা ভাবনা। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন, সবচেয়ে গণতান্ত্রিক (democratic) দল। আমি গণতান্ত্রিক শব্দটার ওপর ‘জোর’ দিচ্ছি। আমি একা নই, অনেকেই মনে করেন, দেশ কংগ্রেস ছাড়া বাঁচবে না। কানহাইয়ার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, সিপিআই পার্টিতে নাকি তাঁর দমবন্ধ হয়ে আসছিল। এ মাসে প্রথম দিকে তিনি রাহুল গাঁধীর সঙ্গে দেখা করেন।
গুজরাতের দলিত নেতা তথা নির্দল বিধায়ক জিগনেশ মেভানিরও (jignesh mevani) কানহাইয়ার সঙ্গেই কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। যদিও ‘টেকনিক্যাল কারণে’ তা হয়নি। তবে কংগ্রেসের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন তিনি। জিগনেশ বলেছেন, আমি নির্দল বিধায়ক। কোনও দলে যোগ দিলে হয়তো বিধায়ক পদে থাকতে পারব না। কিন্তু বিধায়ক হিসাবে না হোক, আদর্শের দিক থেকে আমি কংগ্রেসের শরিক। আসন্ন গুজরাত বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের প্রতীকেই লড়ব।
কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়ে গোটা দেশের নজর কেড়েছিলেন কানহাইয়া। দলিত নেতা মেভানির আত্মপ্রকাশ হয় ২০১৭র গুজরাত বিধানসভা ভোটে বিজেপির দাপট, আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যুবশক্তির মুখ হয়ে ওঠা হার্দিক পটেল, অল্পেশ ঠাকুরের সঙ্গে। সেবার উত্তর গুজরাতের বাদগাম বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন তিনি। কংগ্রেস সূত্রের খবর, পঞ্জাবে দলিত চরণজিত্ চান্নিকে মুখ্যমন্ত্রী করার পর জিগনেশও দলে এলে দলিতদের কাছে নতুন বার্তা যেত। কানহাইয়া, জিগনেশের মতো তরুণ নেতা কংগ্রেসে এলে জাতীয় রাজনীতিতে এই বার্তা দেওয়া যাবে, যুবসমাজের কাছে কংগ্রেসের আবেদন, গ্রহণযোগ্যতা কমেনি। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সুস্মিতা দেব, জিতিন প্রসাদ, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদীর মতো তরুণ প্রজন্মের বেশ কয়েকজন কংগ্রেস ছাড়ায় যে ধাক্কা লেগেছিল, তা পুষিয় দেওয়া যাবে কানহাইয়া, জিগনেশের মতো মুখ অন্তর্ভুক্ত হলে। কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেনুগোপাল বলেন, দেশের শাসক ফ্যাসিস্ত শক্তিগুলিকে হারাতে কুমার, মেভানির মতো এই তরুণ নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি আমরা।Shri @RahulGandhi with Shri #KanhaiyaKumar and Gujarat MLA Shri @jigneshmevani80 at Shaheed-E-Azam Bhagat Singh Park, ITO, Delhi. pic.twitter.com/POlyraX8Wo
— Congress (@INCIndia) September 28, 2021