দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশ জুড়ে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মাথায় হাত সাধারণ মানুষের। একাধিক জায়গায় পেট্রোল ডিজেলের দাম ১০০ ছাড়িয়েছে। কোথাও আবার সেঞ্চুরির একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে ধুকছে জ্বালানি।
মুম্বইতে এখন পেট্রোল কিনতে যা টাকা লাগছে হিসেব মতো তা নিউইয়র্কের প্রায় দ্বিগুণ। পরিসংখ্যান বলছে, গত তিন বছরে বাণিজ্যনগরীতে ২৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিজেলের দামও। গত কয়েক বছরে তা আগের চেয়ে তিন গুণ বেশি হয়ে গেছে। দামের এই গ্রাফ কেবলই ঊর্ধ্বমুখী। কিছুতেই তা কমছে না।
পেট্রোল ডিজেলের এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। একেবর পর এক তোপ দাগা হয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু জ্বালানির দাম কমেনি।
মুম্বইয়ের মতো শোচনীয় অবস্থা দিল্লিতেও। রাজধানীতে প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে জ্বালানির দাম। তার উপর চেপেছে পাহাড় প্রমাণ করের বোঝাও। ডিজেলের দাম হু হু করে বেড়েছে নয়াদিল্লিতে। মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ মানুষের।
পেট্রোল ডিজেলের দাম অতিমারী আবহে এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে সাধের গাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার কথা ভাবছেন মানুষ। তা সে চার চাকাই হোক কিংবা দু-চাকা। গাড়ির জ্বালানি জোগাতেই পকেটে ছ্যাঁকা লাগছে, দাবি চালকদের। 'গাড়ি চালানো এখন বিলাসিতা', বলছেন ভুক্তভোগীরা।
বিহারে পেট্রোলের দাম ১০০ ছুঁয়েছে প্রায় সবকটি জেলাতেই। এ নিয়ে গতকালই রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব। তিনি বলেছিলেন, বিহারের সর্বত্র পেট্রোলের দামে সেঞ্চুরি করানোর জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকারকে অভিনন্দন।'দিকে দিকে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাকিরাও।
এখন দেখার কবে জ্বালানির দাম কমে, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।