
শেষ আপডেট: 4 October 2021 10:29
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে সাফ করে দিতেই কি প্রিয়ঙ্কার এহেন ‘প্রতীকী সাফাই’, শেষ পর্যন্ত তা কি সাফল্যের মুখ দেখবে? গতকাল রাতে প্রিয়ঙ্কাকে লখিমপুর যেতে না দেওয়া নিয়ে একপ্রস্থ নাটক হয়। লখিমপুরের খবর শুনেই দিল্লি রেখে রাত সাড়ে আটটার বিমান ধরে দশটায় লখনউ নামেন তিনি। সঙ্গে কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ দীপিন্দর হুডা। প্রথমে ঠিক ছিল, রাতটা লখনউ কাটিয়ে সোমবার সকালে লখিমপুর যাবেন তাঁরা। কিন্তু প্রশাসন সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে রাজনৈতিক নেতা, নেত্রীদের ঢুকতে না দেওয়ার প্ল্যান করেছে, জানামাত্র প্রিয়ঙ্কারা সিদ্ধান্ত বদলে রাতেই বেরিয়ে পড়েন। মাঝরাস্তায় প্রিয়ঙ্কার কনভয় থামাতে যায় পুলিশ। এ নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় দুতরফের। শেষ পর্যন্ত সীতাপুরে তাঁদের থামিয়ে আটক করে পুলিশ। প্রিয়ঙ্কা তাঁকে আটকানোর পরোয়ানা দেখতে চান। মৃতদের পরিবারবর্গকে দেখতে যাওয়া কি অপরাধ, প্রশ্ন করেন তিনি। রাহুল গাঁধী তাঁর সমর্থনে ট্যুইট করেন, প্রিয়ঙ্কা পিছু হটবে না। ওকে ভয় পাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই প্রিয়ঙ্কার বড় মুখের ছবি সহ পোস্টার মেরেছে কংগ্রেস। সঙ্গে স্লোগান, ‘’কংগ্রেসই রাজ্যে একমাত্র বিকল্প’’। পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রিয়ঙ্কাকে মুখ হিসাবে প্রজেক্ট করেই তারা রাজ্যে বিজেপির প্রধান বিকল্প হয়ে উঠতে চায়, যদিও বাস্তবে তাদের ভিত্তি দুর্বল। দলের কর্মী-সমর্থকদের দাবি, নেতৃত্ব সরকারি ভাবে প্রিয়ঙ্কাকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা করুক। যদিও এখনই তা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।Priyanka Gandhi Vadra in Sitapur. She was taken into police custody Monday night. #Lakhimpur pic.twitter.com/pjRd1nKxXd
— Neelam Pandey (@NPDay) October 4, 2021