দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্যসমাপ্ত মার্কিন সফরের (us visit) শুরুতে বিমানের ভিতরে জরুরি ফাইলপত্র দেখার ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করে নেটিজেনদের বিদ্রূপ, কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। সেকথা হয়তো মুছেও গিয়েছে মানুষের মন থেকে। গতকাল দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী (prime minister)। ফিরেই রাতে চলে যান সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রজেক্ট অগ্রগতির কাজ দেখতে। কর্মব্যস্ত প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের একটি তথ্য এবার সামনে এল। জানা গেল, তিনদিনের আমেরিকা সফরে সেদেশে ৬৫ ঘন্টা থাকাকালে ২০টি বৈঠক (meetings) সেরেছেন প্রধানমন্ত্রী, তার মধ্যে চারটি করেছেন বিমানে বসেই, আমেরিকায় যাওয়া, আসার পথে। বৈঠকগুলি দীর্ঘ সময় ধরে চলে। সরকারি সূত্রেই মিলেছে এই তথ্য।
বুধবার আমেরিকা যান প্রধানমন্ত্রী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকের পাশাপাশি কোয়াড সামিটে যোগ দেন, ভাষণ দেন রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনেও।
সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকা যাওয়ার পথে বুধবার বিমানে দুটি বৈঠক সারেন, পৌঁছে হোটেলে ঢুকেই যোগ দেন তিনটি বৈঠকে। ২৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন নামী কোম্পানির সিইওদের সঙ্গে ৫টি বৈঠক করেন তিনি। সেদিনই তাঁর কথা হয় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্য়ারিসের সঙ্গে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ছিল জাপানি প্রধানমন্ত্রী ইওশিহিদে সুগা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সঙ্গে। তিনটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকেও পৌরহিত্য করেন তিনি।
পরদিনই তিনি মুখোমুখি বৈঠকে বসেন বাইডেনের সঙ্গে। তারপর কোয়াড সামিটে সামনাসামনি কথা হয় বাইডেন, মরিসন, সুগার সঙ্গে। সূত্রের খবর, ২৪ সেপ্টেম্বর চারটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকেও সভাপতি ছিলেন তিনি। ২৫ সেপ্টেম্বর দেশের ফেরার বিমানেও দুটি বৈঠক সারেন।
রবিবার দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি। পালাম বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ অনেকে। নাড্ডা তাঁকে ‘বিশ্ব নেতা’ বলে সম্বোধন করে বলেন, উনি ভারতকে ‘বিশ্ব শক্তি’ করে তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে দ্বিধাহীন ভাষায় আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলি তুলেছেন, সন্ত্রাসবাদ, সম্প্রসারণবাদের মতো বিপদ সম্পর্কে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।