দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেসের (congress) চলতি ঘরোয়া কলহে রাহুল গাঁধীর (rahul gandhi) পক্ষ নিয়ে দলের প্রবীণ নেতাদের (old guards) দিকে আঙুল তুলল মহারাষ্ট্রে তাদের শরিক শিবসেনা (shiv sena)। উদ্ধব ঠাকরের দলের মত, এখনই কংগ্রেসের একজন পূর্ণ সময়ের সভাপতি চাই। তারা বলেছে, রাহুল গাঁধী কংগ্রেসের সামনে সমস্যাগুলি সমাধানের চেষ্টা করলেও দলের পুরানো দিনের নেতারা দলকে ডোবানোর জন্য তাঁকে সমস্যায় ফেলতে বিজেপির সঙ্গে তলে তলে হাত মিলিয়েছেন।
শিবসেনা মুখপত্র 'সামনা'র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি চাই। মাথা না থাকলে সেই শরীর দিয়ে কী লাভ? কংগ্রেস অসুস্থ, চিকিত্সা হচ্ছে, কিন্তু তা সঠিক না ভুল, সেটা তো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। রাহুল গাঁধী কংগ্রেস নামক পুরানো বাড়ির ফাটল সারিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছু পুরানো সামন্তপ্রভু নতুন লােকজনকে কাজ করতে দিচ্ছে না। তারা বাড়ির নানা অংশের মালিকানা দাবি করছে। এখন এটা পরিষ্কার, দলের পুরানো জমানার লোকজন বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, তারা কংগ্রেসকে ডোবানোর চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে শিবসেনা বলেছে. কোনও কম্যান্ডার না থাকলে পার্টি লড়বে কী করে? কিছু বিচক্ষণ প্রবীণ কংগ্রেসির দাবি ভুল নয় যে, সর্বসময়ের সভাপতি চাই।
বিজেপির পাশাপাশি পঞ্জাবের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের জন্য নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভ্রান্তিও সমান দায়ী বলে উল্লেখ করেছে শিবসেনা। তারা বলেছে, নেতৃত্বের প্রশ্নের উত্তর হল গাঁধী পরিবার। কিন্তু গাঁধীদের মধ্যে ঠিক কে, সেই প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভ্রান্তি, সংশয় দূর করা উচিত।
পঞ্জাবে একজন দলিতকে মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করে রাহুল গাঁধী দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কিন্তু তাঁর প্রিয়ভাজন নভজ্যোত সিং সিধুই তাঁর সামনে সমস্যা খাড়া করেছেন, বলেছে শিবসেনা। রাহুলের সিধুকে এত ভরসা করার প্রয়োজন ছিল না, কেননা কংগ্রেসে বলিয়ে কইয়ে লোকের অভাব নেই, মত শিবসেনার।
অমরিন্দর সিং, জিতিন প্রসাদের মতো দলছাড়া নেতাদেরও সমালোচনা করেছে তারা।