Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

পাক-যোগে সন্ত্রাসে অর্থ! কাশ্মীরে নিষিদ্ধ হচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (ইউএপিএ) জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত কনফারেন্সের নরম ও কট্টরপন্থী, দুটি গোষ্ঠীকেই নিষিদ্ধ করার ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

পাক-যোগে সন্ত্রাসে অর্থ! কাশ্মীরে নিষিদ্ধ হচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা?

শেষ আপডেট: 23 August 2021 09:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (ইউএপিএ) জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত কনফারেন্সের নরম ও কট্টরপন্থী, দুটি গোষ্ঠীকেই নিষিদ্ধ করার ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রের খবর, দুটি গোষ্ঠীকেই বেআইনি সংগঠন ঘোষণার ব্যাপারে কথাবার্তা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে একেবারে সর্বোচ্চ স্তরে। আলোচনা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ও ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) মতো কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সির দেওয়া তথ্যপ্রমাণ, গোপন খবরের ভিত্তিতে। বর্তমানে হুরিয়তের নরমপন্থী শাখা ও চরমপন্থী অংশের নেতা যথাক্রমে মিরওয়াইজ ওমর ফারুক ও আশরফ সেহরাই। নিষেধাজ্ঞা চাপলে হুরিয়তের সঙ্গে যুক্ত থাকা যে কোনও পদাধিকারীকে গ্রেফতার, টাকাপয়সা সরবরাহ বন্ধ করার ক্ষমতা পাবে নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি। সূত্রটি বলেছে, যারা উপত্যকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে,  তাদের অবিরাম চাপে রাখতে হবে। কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতাসম্পন্ন সরকারি কর্মচারীদের সরিয়ে দেওয়া, পাথরবাজদের পাসপোর্ট বা সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাবিষয়ক ছাড়ুপত্র দিতে অস্বীকার-এসব এহেন ভাবনারই প্রতিফলন। যদিও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের কোনও কোনও মহল হুরিয়তকে ইউএপিএ-তে নিষিদ্ধ করার ভাবনা সম্পর্কে বলছেন, ওদের নেতাদের দিল্লিতে জেলবন্দি করে রাখার পর থেকে কার্যতঃ হুরিয়ত নিষ্ক্রিয়। এমনকী ওদের প্রেস রিলিজ পর্যন্ত বেরয় পাকিস্তান থেকে! সুতরাং এখন ওদের বিরুদ্ধে এসব পদক্ষেপ ‘মৃত ঘোড়াকে চাবকানোর’ সমান! যদিও সম্প্রতি পাকিস্তানের এমবিবিএস আসন জালিয়াতি চক্রে ৬জনের গ্রেফতারির পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের বৈঠকে বিষয়টি গতি পায়। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে, হুরিয়ত নেতাদের নামে বরাদ্দ করা আসন বিক্রি হয়েছে। সেই অর্থ পাচার হয়েছে সন্ত্রাস, বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে। ২০১৯ এর জুনে, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের এক মাসের বেশি সময় আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন,  সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বুক হৃদকম্প ধরিয়ে দেবে। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে প্রথম উত্তরেও তিনি জানিয়েছিলেন, সন্ত্রাসবাদের প্রতি সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, তাঁরা সন্ত্রাসবাদকে সমূলে উপড়ে ফেলবেন। হুরিয়ত আলোচনায় আগ্রহী বলে জানিয়ে  মিরওয়াজের প্রস্তাব সম্পর্কে বিরোধীরা সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে  তিনি বলেন, যারা কাশ্মীরে ভারত-বিরোধী মনোভাব পোষণ  করে, তারা আমাদের ভয় পাবে। আমরা টুকড়ে টুকড়ে গ্যাংয়ের লোক নই। ১৯৯৩এ তৈরি হুরিয়ত ২০০৫ সালে দুটি গোষ্ঠীতে ভেঙে যায়। এপর্যন্ত এনআইএ ১৮জন কাশ্মীরী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে সন্ত্রাসে আর্থিক মদতদান মামলায় গ্রেফতার করেছে। তারা ১২জনের নামে চার্জশিটও দিয়েছে। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি এনআইএ একাধিক হুরিয়ত নেতার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। গ্রেফতার করে অনেককে। এনআইএ চার্জশিটে দাবি করেছে, পাকিস্তানের কলেজে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসন বরাদ্দ করার একটা বড় চক্র কাশ্মীরে ভারত-বিরোধী শক্তিগুলিকে মদত দেয়। হুরিয়ত নেতাদের মাধ্যমে পড়ুয়াদের নাম সুপারিশ করা ভারতে অশান্তি ছড়ানোয় পাকিস্তানের প্রয়াসকেই পুষ্ট করেছে। দেখা যাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদী,হুরিয়ত, পাকিস্তানি শাসকরা মিলে একটা ত্রিমুখী চক্র তৈরি হয়েছে যারা কাশ্মীরে পাকিস্তান-ঘেঁষা ডাক্তার, প্রযুক্তিবিদদের একটা প্রজন্মকে লালন পালন করতে চায়।  

```