
নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 26 December 2024 20:06
ক্রিসমাস ও বর্ষ শেষের এই সময়টা কেকের। দোকানে বাজারে যেদিকেই তাকাবেন হরেক রকম কেক মিলবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড এই সময়ে পাল্লা দিয়ে দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের কেক তৈরি করে। এসব ব্র্যান্ডেড কেক জায়গা করে নেয় আমার আপনার ঘরে। কিন্তু বর্ধমানের মানুষজন নাকি লোকাল বেকারিতে খেতেই ভালবাসেন। এমনই দাবি করছেন বর্ধমানের দামোদর সেহারাবাজারের এক বেকারি মালিক। তাঁর কথায়, এই সময় এই বেকারির কেকের এত ডিমান্ড থাকে, দিয়ে শেষ করতে পারেন না।
শেখ গোলাম জিগরিয়া। বহু বছর ধরে বেকারির ব্যবসা করছেন। বর্ধমানের লোকজন নাকি তাঁর বেকারির খাবার চেটেপুটে খান। সাধারণ সময় তো বটেই ক্রিসমাসের সময়, চাহিদার শেষ থাকে না। চাহিদা অনুযায়ী তিনিও তৈরি করেন বাটার কেক, ফ্রুট কেক-সহ হরেক রকম ফ্লেভারের কেক। ১২ জন কর্মচারী নিরলসভাবে এই কয়েকদিন টানা কাজ করে যান বেকারিতে।
সেহারাবাজারে ঢুকলেই চারিদিক ম ম করে কেকের গন্ধে। ক্রিসমাসের এই সময়টা বহু মানুষ আগে থেকে অর্ডার দিয়ে কেক নেন এই বেকারি থেকে। মালিকের কথায়, 'এই সময় ব্যস্ততার শেষ থাকে না। ক্রিসমাসে তাই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার নেই। বেকারিতে কেক বানিয়ে কাটে তাঁদের। এটাই তাঁদের কাছে অন্যরকম ক্রিসমাস।'
ক্রিসমাস চলে গিয়েছে, বর্ষবরণ আসছে। সব সেলিব্রেশানই যেমন কেক ইন, বর্ষবরণই বা বাদ যাবে কেন। তাই চাহিদার শেষ নেই গোলামের কেকের।