দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার হরিয়ানার (haryana) বিজেপি নেতা (bjp leader) মনীশ গ্রোভারকে রোহতকের কিলোই গ্রামে একটি মন্দিরের ভিতরে আটকে রেখেছিলেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা (farmers)। চারদিক থেকে মন্দির ঘিরে রাখে জনতা। তাঁদের ক্ষোভের কারণ, গ্রোভার কেন্দ্রের কৃষি আইনের (farm laws) বিরুদ্ধে আন্দোলনরত চাষিদের ‘বেকার মদ্যপ’, ‘বদ লোকজন’ বলে অভিযোগ করেন, ওরা অবরোধকে দীর্ঘায়িত করছে। প্রায় ৮ ঘন্টা তাঁকে ও অন্যদের আটকে থাকতে হয়। গ্রোভারকে পরে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়। তারপরই কৃষকরা তাঁদের ছেড়ে দেন। অবশ্য গ্রোভার ক্ষমা চাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমাদের বাইরে প্রত্যেকের দিকে হাত নাড়তে বলা হয়েছিল। আমরা ক্ষমা চাইনি, যখন ইচ্ছে হবে এই মন্দিরে আসব। গতকাল আর যাঁদের আটকে থাকতে হয়েছিল মন্দিরে, তাঁরা হলেন মন্ত্রী রবীন্দ্র রাজু, রোহতকের মেয়র মনমোহন গয়াল, বিজেপি নেতা সতীশ নন্দাল।
এদিকে গ্রোভারকে আটকে রাখার পাল্টা হরিয়ানার বিজেপি সাংসদ (bjp mp) অরবিন্দ শর্মা কংগ্রেসকে (congress) পরোক্ষে হুঁশিয়ারি (threat) দিয়েছেন, যে-ই তাঁর দলীয় সহকর্মী গ্রোভারের বিরেধিতা করবে, তিনি তার চোখ উপড়ে নেবেন, হাত কেটে ফেলবেন! এক অনুষ্ঠানে শর্মার গরম গরম ভাষণে হাততালির ঝড় ওঠে। শর্মা কটাক্ষ করেন, কংগ্রেস ২৫ বছর ধরে শুধু ঘুরেই বেড়াচ্ছে, আর বিজেপি ২০১৯ এর ভোটে দুষ্যন্ত চৌতালার জেজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় রয়েছে।
কেন্দ্রের তিনটি কালা কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিশেষতঃ হরিয়ানা, পাঞ্জাবের কৃষকরা এক বছরের বেশি প্রতিবাদ করছেন, কয়েক হাজার দিল্লি সীমান্ত অবরোধ করে রেখেছেন। নয়া আইনে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) ব্যবস্থা উঠে গিয়ে তাঁদের কর্পোরেটদের মুখে ঠেলে দেওয়া হবে বলে আশঙ্কা কৃষকদের। যদিও কেন্দ্র কৃষি আইন বাতিলের দাবি উড়িয়ে আশ্বাস দিয়েছে, এতে তাদের লাভই হবে। আইন সংশোধনে রাজি বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্র।
কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্রের শেষ বৈঠক হয় গত জানুয়ারিতে। তারপর আলোচনা ভেস্তে যায়।