দ্য ওয়াল ব্যুরো: কীসের মোহে খতরনাক ক্রিমিনালের স্ত্রীর প্রেমে পড়েছিলেন, কে জানে? মরতে মরতে বেঁচে গেলেন পটনা সচিবালয়ের এক অফিসারের ছেলে। নিজে বিবাহিত, দুই বাচ্চার বাবা। তবুও পরস্ত্রীতে আকৃষ্ট ওই যুবক। স্ত্রীর দিকে নজর দেওয়ায় শিবপুরী এলাকায় তাঁকে বাগে পেয়ে এক জায়গায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে মারধর করেছে ওই অপরাধী। মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে চলে অত্যাচার। সূত্র মারফত খবর পেয়ে গর্দানিবাগ থানার পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে। সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে পুলিশ চিহ্নিত করে, অভিযুক্ত এলাকার ত্রাস বলে পরিচিত এক অপরাধী।
উদ্ধার পাওয়ার পর যুবকটি যা জানিয়েছেন, তাতে খাকি উর্দিধারীদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। এ যেন কোনও বলিউডি রোম্যান্সের কাহিনি। তিনি দাবি করেন, ওই দাগী ক্রিমিনালের স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক আছে। এজন্য ওই অপরাধী আগেও তাঁর ওপর কয়েকবার হামলা চালিয়েছে। দুজনের প্রেমকাহিনি জানার পর সে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চায় বলেও দাবি করেন যুবকটি। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্রিমিনাল তাঁকে গুন্ডাদের দিয়ে মার খাওয়ায়, জানে মেরে দেওয়ার হুমকিও দেয়। যুবকের বাবা তখন গর্দানিবাগ থানায় ক্রিমিনালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাকে ধরে জেলে পুরে দেয় পুলিশ। কিন্তু ছাড়া পেয়ে জেলের বাইরে বেরিয়ে সে ফের ওই যুবককে আক্রমণ করে। এবার হাত পা বেঁধে সশস্ত্র হামলা। স্থানীয় বাসিন্দারা যুবকের আর্তনাদ শুনে পুলিশকে খবর দেয়। তাঁকে পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
হাসপাতালে বর্তমানে চিকিত্সা চলছে যুবকের। কিন্তু এত কিছুর পরও তাঁর ঘাড় থেকে প্রেমের ভূত নামেনি। এখনও তাঁর বাসনা, ওই ক্রিমিনালের স্ত্রীকেই বিয়ে করবে! চুলোয় যাক সংসার।