
অন্ডালে হুলস্থুল
শেষ আপডেট: 19 July 2024 18:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: বমি, পেটে ব্যথা হচ্ছিল ১৩ বছরের মেয়ের। তাই এলাকার সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এনে ছিলেন বাবা-মা। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে মৃত্যু হল সেই অসুস্থ কিশোরীর। মেয়ের মৃত্যু পরেই পরিবারের বিক্ষোভে উত্তাল হল সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বর। এমনই ঘটনা ঘটেছে দুর্গাপুরের খান্দরা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানাগিয়েছে, মৃত ওই কিশোরীর নাম সুস্মিতা বাউরি। সে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি অন্ডালের ময়রা এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার থেকে পেটে ব্যথা, বমি হচ্ছিল তার।
সুস্মিতার বাবা ধীরেন বাউরি বলেন, "বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তারবাবুর কাছে মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। মেয়ে পরীক্ষা করে ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন ডাক্তার। আশ্বাস দিয়েছিলেন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু রাতে মেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ফের তাকে খান্দরা বিশ্বেশ্বরী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাই। তখন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তারবাবু মেয়েকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তার আগেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই, মৃত্যু হয় মেয়ের।" ধীরেনবাবু কথায়, "স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তারের গাফিলতির জন্য মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।"
কিশোরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য স্থানীয়রাও চিকিৎসককেই দায়ী করেছেন। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তারবাবুরা যদি আগেই ওই কিশোরীকে ভর্তি করত। তাহলে ওই নাবালিকার মৃত্যু হত না।
গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কিশোরীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মানুষ ক্ষোভে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে অন্ডাল ও উখড়া ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে।