
অপহরণে জড়িতদের ভ্য়ানে তুলছে পুলিশ
শেষ আপডেট: 2 July 2024 16:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: রানিগঞ্জের সেনকো গোল্ডে ডাকাতির সময়ে তিনি একাই দুষ্কৃতীর সঙ্গে লড়ে করেছিলেন। এবার ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত তিন যুবককে উদ্ধার করে ফের শিরোনামে এলেন শ্রীপুর ফাঁড়ির আইসি মেঘনাদ মণ্ডল। এই ঘটনায় জড়িত কমলেশ যাদব, শোভন সাউ, মহম্মদ সাদ্দাম, মহম্মদ শামসুদ্দিন নামে চার যুবককেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত কমলেশ ও শোভনের বাড়ি রানিগঞ্জে। বাকি দুজন আসানসোলের জামুড়িয়ার বাসিন্দা। অভিযোগ, পুরুলিয়া থেকে ওই তিন যুবককে অপহরণ করে এনে তারা শ্রীপুর ফাঁড়ির নিঘাপার্ক এলাকার গোপন ঘাঁটিতে রেখেছিল। অপহৃতদের আত্মীয়দের ফোন করে কয়েক লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছিল তারা।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে পুরুলিয়া থেকে তিন যুবককে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। মুক্তিপণ চেয়ে তাঁদের পরিবারের কাছে ফোন আসছিল। তাই ছেলেদের খুঁজে পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিন যুবকের আত্মীয়রা। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে তিনজনকে আসানসোলের শ্রীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরুলিয়া পুলিশ শ্রীপুর ফাঁড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করে। খবর পেয়েই তিন যুবককে উদ্ধার করতে অভিযানে নামেন আইসি মেঘনাদ মণ্ডল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জামুরিয়া থানার ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায়। তাঁরা বাহিনী নিয়ে নিঘাপার্কের অপহরণকারীদের গোপন ঘাঁটিতে অভিযান চালান। সেখান থেকে পুরুলিয়ার ওই তিন যুবককে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে চার অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেন। পাশাপাশি একটি বোলেরো গাড়িও আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এই গাড়ি করেই তিন যুবককে ওই দুষ্কৃতীরা পুরুলিয়া থেকে অপহরণ করে আসানসোলে নিয়ে এসেছিল। পুরুলিয়া থেকে এই অপহরণের খবর পেতেই তৎপর হয়ে ওঠে আসানসোল পুলিশ। শ্রীপুর থানার আইসি মেঘনাদ মণ্ডল ও জামুড়িয়া থানার ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালান হয়। সোমবার ধৃতদের আসানসোল জেলা আদালতে তোলে হয়েছিল। বিচারক তাদের পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।