
শেষ আপডেট: 6 September 2021 18:07
২০১৭য় সনিয়ার হাত থেকে কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বভার নেন রাহুল, কিন্তু ২০১৯ এর সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের হতাশাজনক ফলের পরিপ্রেক্ষিতে ইস্তফা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি সওয়াল করেন, গাঁধী পদবিধারী নন, এমন কারও কংগ্রেস সভাপতি হওয়া উচিত। ১৩৫ বছরের ইতিহাসে কংগ্রেসকে বেশিরভাগ সময়েই চালিয়েছে নেহরু-গাঁধী পরিবার। রাহুলের প্রস্তাবে ব্যাপক আলোড়ন ওঠে। নানা স্তরে নেতা তাঁর মতবদলের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ১৯ বছর কংগ্রেস চালানো সনিয়াকেই আবার নেতৃত্বের রাশ তুলে নিতে এগিয়ে আসতে হয়। তবে সেই তখন থেকেই পূর্ণ সময়ের কংগ্রেস সভাপতির দাবি বকেয়া রয়েছে। গত দু বছরে সভাপতি পদে নির্বাচন তিনবার স্থগিত রাখতে হয়েছে। সম্প্রতি কোভিড ১৯ মহামারীর জন্য তা ফের পিছিয়েছে। ওয়েনাড়ের সাংসদ রাহুলকে কংগ্রেস সভাপতি পদে বসানোর দাবি আগেও উঠেছে। গত ফেব্রুয়ারিতেই দিল্লি কংগ্রেস রাহুলকে অবিলম্বে দলীয় সভাপতি করার প্রস্তাব পাশ করে। যুব কংগ্রেসের দুদিনের কর্মসমিতির বৈঠকে বেকারি, মুদ্রাস্ফীতি, ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃ্দ্ধি, কৃষক সমস্যা, জাতীয় সুরক্ষা, দেশের সম্পদ বেচে দেওয়ার মতো জ্বলন্ত সমস্যগুলি নিয়ে কথা হয়েছে। আগামী দিনে কী করে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এইসব জনবিরোধী ইস্যুতে লড়াই চলবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে যুব কংগ্রেস।Today at National Executive, IYC office bearers passed resolution that Shri @RahulGandhi ji to be made president of AICC. pic.twitter.com/TcMbyBM1ue
— Youth Congress (@IYC) September 6, 2021