১৯৭৫-এ ইন্দিরার বিরুদ্ধে সেই রায়ে বিরাট সাহস দেখিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট, বললেন রামানা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্দিরা গাঁধীর (indira gandhi) বিরুদ্ধে ১৯৭৫ সালের এলাহাবাদ হাইকোর্টের (allahabad high court) রায়ের কথা দেশের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানার মুখে (cji ramana)। সেই রায় বেরিয়েছিল ১৯৭৫ এর ১২ জুন। রায়ে বিচারপতি জগমোহনলাল সিন
শেষ আপডেট: 11 September 2021 16:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্দিরা গাঁধীর (indira gandhi) বিরুদ্ধে ১৯৭৫ সালের এলাহাবাদ হাইকোর্টের (allahabad high court) রায়ের কথা দেশের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানার মুখে (cji ramana)। সেই রায় বেরিয়েছিল ১৯৭৫ এর ১২ জুন। রায়ে বিচারপতি জগমোহনলাল সিনহা তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গে দোষী সাব্যস্ত করে তিনি জনপ্রতিনিধি আইনে কোনও নির্বাচিত পদে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ওই রায়ের ফলশ্রুতিতেই সেবছর ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয় বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত।
আরও পড়ুন---শুভেন্দু বললেন, 'দিদি হারবেন ভবানীপুরে', কুণালের জবাব ‘বিরোধী দলনেতা বাঘছাল পরা বিড়াল’
ইন্দিরার মতো ইস্পাতকঠিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নির্বাচনী দুর্নীতিতে দোষী সাব্যস্ত করে সেই রায় দিতে বিরাট সাহস লেগেছিল, বললেন আজকের দেশের প্রধান বিচারপতি। সেদিনের রায় গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়ে দেশকে জরুরি অবস্থার দিকে নিয়ে গিয়েছিল বলে অভিমত জানিয়েছেন তিনি।
১৯৭১ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি থেকে বিরোধী প্রার্থী রাজ নারায়ণকে পরাজিত করেন ইন্দিরা। কিন্তু বিজিত রাজনারায়ণ ইন্দিরার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ, দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে যান। রাজনারায়ণ বলেছিলেন, ইন্দিরার নির্বাচনী এজেন্ট যশপাল কপূর ছিলেন সরকারি অফিসার। নিজের নির্বাচনের প্রচার সংক্রান্ত কাজে সরকারি অফিসারদের ব্যবহার করতেন ইন্দিরা, এমনও দাবি করেন তিনি।
প্রধান বিচারপতি আজ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি নতুন ভবনের কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয় আজ। সেখানেই দেশের অন্যতম প্রাচীনতম হাইকোর্টের অবদানের উল্লেখ করে রামানা জানান, এলাহাবাদ হাইকোর্টের ১৫০ বছরের বেশি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। সেখান থেকে দেশের সর্বসেরা আইনি জ্যোতিষ্কদের অনেকে উঠে এসেছেন।
এব্যাপারেই তিনি বলেন, ১৯৭৫ এ এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি জগমোহনলাল সিনহা দেশকে নাড়িয়ে দেওয়া রায়ে ইন্দিরা গাঁধীকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিলেন। বিরাট সাহসী রায় ছিল সেটি, দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পিছনে যার প্রত্যক্ষ সংযোগ ছিল বলা যায়। তার পরিণতি কী হয়েছিল, তা এখানে আমি বিশদে বলতে চাই না।