
শেষ আপডেট: 30 June 2024 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ চলছিল। রাস্তাঘাট শুনশান। সকলেই খেলা দেখতে ব্যস্ত। বাড়ির ফিরে দিদির গলার নলির কাটা দেহ খুঁজে পেলেন বোন। শনিবার এমন ঘটনা ঘটল বর্ধমানের মেমারি থানা এলাকায়। মৃতের নাম প্রতিমা চক্রবর্তী (৩৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির সুলতানপুরের বাসিন্দা হৃদয় চক্রবর্তী। তাঁর স্ত্রী প্রতিমা। হৃদয়বাবু রাধুনির কাজ করেন। এদিন এক পর্যটক দলের সঙ্গে রান্নার কাজ করতেই দিঘায় গিয়েছিলেন। তাই শনিবারও বাড়িতে একাই ছিলেন প্রতিমা।
আত্মীয়দের দাবি, মেমারির চাকদিঘি মোড় এলাকায় প্রতিমাদেবীর বোন বুলবুলের দোকান রয়েছে। শনিবার রাত ৮টা নাগাদ সেখানেই গিয়েছিলেন প্রতিমা। তারপরে বাড়ি ফিরে আসেন। রাত ১০ নাগাদ বোন বুলবুল প্রতিমার বাড়িতে এসেছিলেন। দিদিকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু বাড়ির ভিতর থেকে দিদির কোনও সাড়া পাননি বুলবুল। দরজা খুলে বাড়ি ঢুকতেই তিনি দেখেন প্রতিমার গলার নলি কাটা দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল চারিদিক। এমন দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন বুলবুল। প্রতিবেশীদের ডাকেন। পুলিশকে খবর দেন।
খরব পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পুলিশ মর্গে পাঠায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই বধূকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে কী কারণে ওই মহিলাকে খুন করা হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।
মৃতার বোন বুলবুল মজুমদার বলেন, "দোকান বন্ধ করে দিদির বাড়িতে ঢুকে দেখি, দিদি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জামাইবাবু হৃদয় চক্রবর্তী রান্নার কাজ করেন। শনিবার সকালে রান্নার কাজ করতে টুরিস্টদের সঙ্গে দিঘা গিয়েছেন।" মৃতার আরও এক বোন সজনী চৌধুরী বলেন, "দিদির কোনও সন্তান নেই। কারও সঙ্গে কোন বিবাদ বা ঝামেলা ছিল না।"