
বর্ধমানে বালি চোর গ্রেফতার
শেষ আপডেট: 28 June 2024 19:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বৃহস্পতিবারই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার। তারপরেই দামোদর নদ থেকে বালি লুঠের বিরুদ্ধে ময়দানে নামে পুলিশ। পাকড়াও করা হল ১২ জন বালি চোরকে।
জেলা পুলিশ সুপার আমন দীপ বললেন, "নজরদারি ছিল আগেই। গত দু-তিন মাস আগে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন বালি চোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর বেশ কয়েকবার অভিযান শুরু হচ্ছে টের পেয়েই নৌকা করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। শেষরক্ষা হল না এবার। ফাঁদ পাতা হয়েছিল গুছিয়েই। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বর্ধমান থানা, খণ্ডঘোষ আর গলসি থানার যৌথ বাহিনী বেআইনিভাবে বালি তোলার খবর পেয়ে জুজুটির দামোদর নদীর ঘাটে অভিযান চালায়। সঙ্গে ছিল ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকদের একটি দল। ধরা পড়ে ১২ জন। ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ছ'টি ট্রাক্টর সহ তিনটি ট্রলি। বর্ধমান থানা এবং গলসি থানা দু'জায়গাতেই ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।"
দু-দিন আগেই পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার বলেছিলেন, "কাজ করা ভীষণ কঠিন। যেখানেই হাত দিতে যাওয়া হবে, সেখানেই ছোবল খেতে হবে। কাগজে দেখি পুলিশ খুব সক্রিয়, বালি চোরদের ধরছে, ছবি দেখতে চাইলে আমি দেখাতে পারি গলসি থানার জুজুটির কাছে দামোদরে নৌকাগুলো ঘুরছে আর মেশিনে বালি তুলছে। এরকম যদি ছ'মাস চলে তাহলে তিনশো কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি অম্রুত প্রকল্পের গ্যালারি ভেঙে পড়বে। আর জল উঠবে না।"
তারপরেই দামোদরের খাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করে। এই অম্রুত প্রকল্পে গোটা শহরে আপাতত ৫০ হাজার পরিবারকে দশটি রিজার্ভার থেকে পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে।