
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 10 November 2024 16:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠায় আগেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ৭ জন পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আগেভাগেই জানিয়েছে, অভিযুক্ত হস্টেলে প্রবেশ করতে না পারলেও আপাতত ক্লাস করতে পারবেন। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার আগেই এবার মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ইমেল করল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট। এদিন মুখ্যসচিবের থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা জানতে চেয়েছেন, এই মামলায় কেন কলেজের তরফে কোনও আইনজীবী নেই?
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন আইনজীবীকে উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছে। তা নিশ্চিত করতেই এদিন মুখ্যসচিবকে ইমেল পাঠানো হয়েছে বলে খবর। জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের আরও অভিযোগ, শুনানি চলাকালীন কোনও আইনজীবী হাজির না থাকায় কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতেই পারছে না আদালত।
ইমেলে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, গত অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ শুনানির প্রথম দিন আদালতে কলেজের তরফে কোনও আইনজীবী ছিলেন না। পরের শুনানি ৭ অক্টোবর এবং ৫ নভেম্বর শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী ছিলেন। এরপরই ৮ নভেম্বর রাজ্যের আইনজীবী হাই কোর্টে জানান, কলেজের পক্ষে সওয়াল করার এক্তিয়ার নেই তাঁর।
পরে ১১ নভেম্বর শুনানিতে হাইকোর্ট স্পষ্ট জানায়, কলেজকে তাদের বক্তব্য পেশ করতে হবে। এদিন জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সোমবারও যদি কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে বক্তব্য পেশ করা একেবারেই সম্ভব নয়। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত রাজ্য এবং কলেজের তরফে কোনও হলফনামা জমা না দেওয়ার কারণে ছাড় পেয়ে যাচ্ছে অভিযুক্তরা। যার জেরে কলেজে থ্রেট কালচারের ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে।
গত অগস্টে আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। সেই সময় রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে থ্রেট কালচারের অভিযোগ সামনে এসেছিল। সেই আবহে ৭ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তার ভিত্তিতে গত ১১ সেপ্টেম্বর ৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাদের হস্টেলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি সাসপেন্ড করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ৭ জন পড়ুয়া কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শুক্রবার এই মামলায় পড়ুয়াদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।