
কুণাল ঘোষ ও রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 4 October 2024 00:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'যা ঘটেছে তা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও অনভিপ্রেত। কিন্তু অনেকেই এটা নিয়ে রাজনীতি করে এলাকাকে অশান্ত করতে যা যা করার করে চলেছেন।' বাঁশদ্রোণীর ঘটনা প্রসঙ্গে মন্তব্য তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের।
নাম না করে বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জোর করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগও তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, 'কেউ যদি সেখানে গিয়ে লাগাতার প্ররোচনা দিতে থাকেন, অশান্তি করাই যদি তাঁর মূল উদ্দেশ্য হয় তাহলে তো এমনটা হবেই। উনি ওখানে গিয়ে বসেছিলেন, পরিস্থিতি আরও অশান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। পুলিশ প্রশাসনও তাঁদের কাজ করেছেন।'
এদিন কুণাল বলেন, 'দুর্ঘটনা সব সময় দুর্ঘটনা। আমরা চেষ্টা করি কমাতে কিন্তু দুর্ঘটনা কখন, কোথায়, কীভাবে এসে পড়ে যা আটকানো মুশকিল হয়ে যায়। কখনো কখনো ব্যতিক্রমী দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে যায়।'
বাঁশদ্রোণীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরে একটা গোটা দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও অশান্ত দক্ষিণ কলকাতার এই এলাকা। মহালয়ার ভোরে বাঁশদ্রোণীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় নবম শ্রেণির এক ছাত্রের। এলাকার রাস্তা সারাইয়ের জন্য আনা মাটি কাটার যন্ত্রের গাড়ি (জেসিবি) একটি গাছের সঙ্গে পিষে দেয় তাকে। ঘটনার পর থেকেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাতভর থানায় অবস্থানে বসেছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা। বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি নেত্রীর অভিযোগ, 'পুলিশ অভিযুক্তদের পালাতে সাহায্য করেছে।' বাঁশদ্রোণী থানায় তাঁর ব্যাগ রয়ে গিয়েছে, নিতে দেওয়া হয়নি। তাঁকে পুলিশ শৌচালয়ে যাওয়ার অনুমতিও দেয়নি। পরে বিকেলে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান রূপা।
বাঁশদ্রোণীতে রাস্তা খারাপের যে অভিযোগ উঠেছে এই প্রসঙ্গে কুণাল মনে করিয়ে দেন, 'সারা বাংলার মানুষ জানেন আগের সরকারের আমলে রাস্তার কী হাল ছিল আর এখন কেমন হয়েছে। রাজ্য সবসময় চায় রাস্তা সারাতে। কিন্তু জোর করে একটা দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি টেনে আনা উচিত নয়।'
অন্যদিকে এদিন ফের কর্মবিরতির কারণে জুনিয়র ডাক্তারদের গ্ৰেফতারির দাবি জানিয়েছেন কুণাল। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রয়োজনে তাঁরা দিল্লি যেতে পারেন। কারণ মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এখানে রাজ্যের কিছু করার নেই। কুণালের কথায়, "কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার জন্য আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করুক সিবিআই। এঁদের মধ্যে এমন কয়েকজন আছেন যাঁরা সবকিছু জেনে এখন না জানার ভান করছেন।"