বাবুল সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে বললেন, 'হৃদয় ভারাক্রান্ত', শিশিরের ভবিষৎ কী?
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'হৃদয় ভারাক্রান্ত...', মঙ্গলবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে সাংসদ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর বললেন বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)।
বেশকিছু দিন ধরে সাংসদ পদ থেকে সরে আসার জন্য স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিল
শেষ আপডেট: 19 October 2021 07:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'হৃদয় ভারাক্রান্ত...', মঙ্গলবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে সাংসদ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর বললেন বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)।
বেশকিছু দিন ধরে সাংসদ পদ থেকে সরে আসার জন্য স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ওম বিড়লার থেকে সময় মিলছিল না। আজ সেই সময় পেয়েছেন বলে গতকালই তিনি টুইট করে জানান। সেইমতো এদিন সকালে গিয়ে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজের ইস্তফা দিলেন আসানসোলের সাংসদ।
তিনি বলেন, "হৃদয় ভারাক্রান্ত। আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু বিজেপির হাত ধরে। আমি প্রধানমন্ত্রী, দলীয় প্রধান ও অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানাই। আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য। যদি দলের অংশ না হই, তাহলে আমার নিজের জন্য আসন ধরে রাখা উচিৎ নয়।"
আরও পড়ুন:
নীরব মোদীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা চলবে, নির্দেশ মার্কিন কোর্টের
প্রসঙ্গত, বিজেপির হয়ে দু'বার সাংসদও হয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর পদও সামলেছেন তিনি। তবে বেশকিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেও সাংসদ ছিলেন। তবে ভবানীপুর উপ-নির্বাচনের আগে হটাৎই পদ্ম শিবির ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন বাবুল।
তারপর থেকেই সাংসদ পদে বাবুলের ইস্তফা চেয়ে সরব হয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। বাবুলও চায়নি সাংসদ পদ ধরে রাখতে। ইস্তফা দেওয়ার জন্য লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য একাধিকবার আবেদন জানান। নানা কারণে সেই সাক্ষাৎ হয়ে ওঠেনি। যা নিয়ে নানা জল্পনাও ছড়ায়।
বাবুলের ইস্তফার পর প্রশ্ন উঠেছে, কী করবেন কাথির সাংসদ শিশির অধিকারী? বিধানসভা ভোটের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। তৃণমূল তাঁর সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছে। বাবুলের ইস্তফা তাঁর উপর নৈতিক চাপ বাড়ল সন্দেহ নেই।
সোমবার সকালে বাবুল নিজেই টুইট করে জানান, মঙ্গলবার স্পিকার তাঁকে সময় দিয়েছেন। তাঁর কাছেই তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। সেই মতো আজ দেখা করেন তিনি। সাংসদ পদে ইস্তফার মধ্যে দিয়েই ইতি পড়ল বাবুলের গেরুয়া জীবনে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'