দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের একের পর এক পরিচিত স্থানগুলির নাম বদল (renaming) করেই চলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath)। দুদিন আগে বদায়ুঁর নাম বদলের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এবার কি পালা আজমগড়ের (azamgarh)? সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (assembly poll)। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত, নাম বদলের উদ্যোগের পিছনেও সুচিন্তিত প্ল্য়ান রয়েছে। মেরুকরণের দিশাতেই এই ভাবনা।
শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত দিয়ে আজমগড়ে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের (university) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছে। সেখানেই জনসভায় আদিত্যনাথ বলেন, রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনের মাধ্যমে আজমগড় পরিণত হবে আর্যমগড়ে। এই মন্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট যে, আজমগড়ের নাম বদলাচ্ছে।
আদিত্যনাথ ভাষণে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়নের দূরদৃষ্টি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাজ আজমগড়ে ভাবমূর্তিই বদলে দিয়েছে। কোনও সন্দেহ নেই, শীঘ্রই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত ধরে আজমগড় হয়ে উঠবে আর্যমগড়। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়ে যাবে, আজমগড় ও মৌএর ৪০০ কলেজের পড়ুয়ারা এখান থেকে ডিগ্রি পাবে।
আজমগড় নিয়ে তাঁর উদ্বেগ আছে বলে জানিয়ে তার কারণ ব্যাখ্যা করে যোগী দাবি করেন, এমন এক সময় ছিল যখন আজমগড়ে বন্দেমাতরম গাওয়ার দাবি করে গুলি খেয়ে মরতে হত ! আজ কাউকে গুলি করে মারার সাহস দেখাতে পারে কেউ? ২০০৭ এ অজিত রাই নামে এক এবিভিপি ছাত্রনেতাকে প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো অনুষ্ঠানে বন্দেমাতরম গাওয়ার দাবি করায় সিবলি ন্যাশনাল কলেজে প্রিন্সিপালের অফিসের সামনে খুন করা হয়েছিল।এ ঘটনায় একটা এফআইআর দায়ের করতেই এক মাসের ওপর লেগে গিয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজের সরকারের সাফল্য দাবি করে তিনি বলেন, এখন আর কেউ এরকম অপরাধ করতে পারে না। যারা আগে মেয়ে, মহিলাদের উত্যক্ত করত, তারা জানে, এখন ওসব করলে মহাভারতের দুর্যোধন, দুঃশাসনের দশা হবে।