
শেষ আপডেট: 24 May 2023 14:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘৃণা ভাষণের জেরে নিম্ন আদালত তাঁকে (Azam Khan) তিন বছরের কারাবাসের সাজা দেয়। আদালত থেকেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে নিয়ে যায়। বুধবার উচ্চ আদালত (High Court) আট মাস আগে দেওয়া নিম্ন আদালতের সাজা খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, বিচার প্রক্রিয়াই ভুল ছিল। কিন্তু নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিন বছরের কারাবাসের সাজা হওয়ায় বিধায়ক পদ চলে গিয়েছে তাই শুধু নয়, শূন্য আসনে উপনির্বাচনে অন্য দল আসনটি ছিনিয়ে নিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে নির্দোষ ব্যক্তির বিধায়ক পদের কী হবে?
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির বর্ষীয়ান নেতা (SP leader) আজম খানের ক্ষেত্রে। সে রাজ্যের রামপুরের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক অমিত বীর সিং বুধবার আজম খানকে নির্দোষ ঘোষণা করে বলেন, নিম্ন আদালতের সাজার প্রক্রিয়াই ভুল ছিল। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের প্রচারে ঘৃণা ভাষণের অভিযোগে তাঁকে সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত।
তিনি গত বছর মার্চে সেখান থেকে বিধানসভায় নির্বাচিত হন। তার আগে ছিলেন রামপুর লোকসভার সদস্য। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে থেকে রাজনীতি করবেন বলে লোকসভার সাংসদ পদ ছেড়ে বিধায়ক থাকেন। ইতিমধ্যে রামপুর লোকসভার উপনির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়। অন্যদিকে, রামপুর বিধানসভার সদস্য পদ চলে যায় আজম খানের তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়া মাত্র। ৮ ডিসেম্বর সেই আসনে উপনির্বাচনে বিজেপির আশিস সাক্সেনা জিতে যান।
এখন প্রশ্ন উঠেছে আজম খানের কী হবে। প্রশ্ন উঠেছে কী হবে রাহুল গান্ধীর। নিয়ম অনুযায়ী নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত রাহুলও আগামী ছয় বছর ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না। প্রায় তিন মাস হয়ে গেল তাঁর ওয়ানাড সংসদীয় কেন্দ্রটি ফাঁকা পড়ে আছে। রাহুল নির্দোষ প্রমাণের আগে সেখানে উপনির্বাচন হয়ে গেলে তাঁর পরিণতিও আজম খানের মতো হওয়া অসম্ভব নয়।
অবশ্য সেই প্রশ্ন তখনই আসবে যদি কোনও উচ্চ আদালত তাঁকে নির্দোষ ঘোষণা করে। তবে আইনজ্ঞদের সামনে এখন বড় প্রশ্ন আজম খানের কী হবে। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার অবশ্য হাই কোর্টে আজম খানকে নির্দোষ ঘোষণার রায় খারিজের দাবি জানাতে পারে। হাই কোর্ট যদি দায়রা আদালতের রায় খারিজ করে দেয় তাহলে আবার বিধায়ক পদ ফেরানোর প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।
নতুন সংসদ ভবনে শোভা পাবে ‘সেঙ্গোল’ কী সেটি যা নিয়ে তুঙ্গে কৌতুহল