রবিবার অযোধ্যায় উদ্ধব, জমায়েত পরিষদেরও, কড়া নিরাপত্তা
দ্য ওয়াল ব্যুরো : রবিবার দুটি সমাবেশকে ঘিরে টান টান নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে অযোধ্যায় । প্রথমত এদিন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে অযোধ্যায় সফরে যাচ্ছেন। থাকবেন দুদিন। দ্বিতীয়ত, এদিনই অযোধ্যায় ধর্ম সংসদের আয়োজন করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।
শেষ আপডেট: 24 November 2018 06:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো : রবিবার দুটি সমাবেশকে ঘিরে টান টান নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে অযোধ্যায় । প্রথমত এদিন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে অযোধ্যায় সফরে যাচ্ছেন। থাকবেন দুদিন। দ্বিতীয়ত, এদিনই অযোধ্যায় ধর্ম সংসদের আয়োজন করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। পরিষদের নেতাদের দাবি, ১৯৯২ সালে ৬ ডিসেম্বরের পরে অযোধ্যায় এত বড় সমাবেশ আর কখনও হয়নি। ওইদিন বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোটি ভেঙে ফেলার জন্য অযোধ্যায় বিরাট সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্তের সমাবেশ হয়েছিল ।

পুলিশের ধারণা, অযোধ্যায় লক্ষ লোকের সমাবেশ হতে চলেছে। শুক্রবার থেকে অযোধ্যা পরিণত হয়েছে দুর্গে। ফৈজাবাদ জেলা প্রশাসন রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ চত্বরে জারি করেছে ১৪৪ ধারা। পুলিশ জানিয়েছে, অস্থায়ী মন্দিরে ভক্তরা ছোট ছোট দলে দর্শন করতে পারবেন।
শুক্রবার থেকে রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলেও সতর্ক আছে পুলিশ। রবিবারের জমায়েতের আগে কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার চালিয়েছে ভিএইচপি-র বাইক বাহিনী। মিছিলও বেরিয়েছে। এই মিছিল থেকে উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে ছোটখাটো সংঘর্ষ বেধে গিয়েছিল। অযোধ্যা মামলায় অন্যতম আবেদনকারী ইকবাল আনসারি আদালতে বলেছেন, ভিএইচপি-র রাম-জানকী বাইক যাত্রার সময় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় অশান্তি হয়েছে। কানপুরেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সুরক্ষা দাবি করছি। কারণ ১৯৯২ সালে আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ভিএইচপি-র মুখপাত্র শরদ শর্মা বলেন, রামভক্তরা সবসময় সংযত থাকেন। আমাদের সন্তরা যা বলেন তাই তাঁরা মান্য করেন। রবিবার অযোধ্যায় ধর্মীয় সমাবেশ হবে।
অন্যদিকে শিবসেনা প্রধান রবিবার রামজন্মভূমিতে পুজো দেবেন। সরযূ নদীর তীরে আরতি দেখবেন। তিনি পুনের শিবনেরি দুর্গ থেকে একটি পাত্রে করে মাটি নিয়ে যাচ্ছেন। জন্মভূমির মহন্তের হাতে তুলে দেবেন।
উত্তরপ্রদেশে শিবসেনার সংগঠন আছে সামান্যই। কিন্তু সেনার নেতা সঞ্জয় রাউত অযোধ্যায় গিয়ে বলেছেন, আমরা ১৭ মিনিটে বাবরি মসজিদ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম। এখন অধ্যাদেশ আনতে কত সময় লাগবে?
উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন, অযোধ্যার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া হোক। তাঁর কথায়, বিজেপি সুপ্রিম কোর্ট বা সংবিধানে বিশ্বাস করে না। উত্তরপ্রদেশে, বিশেষত অযোধ্যায় এখন যেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সেদিকে সুপ্রিম কোর্টের নজর দেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে সেনা পাঠানো উচিত।
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, রবিবার অযোধ্যায় থাকবেন ১৬০ জন পুলিশ ইনস্পেক্টর, ৭০০ কনস্টেবল, ৪২ কোম্পানি প্রভিনশিয়াল আর্মড কনস্ট্যাবুলারি, পাঁচ কোম্পানি র্যাফ, অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের কম্যান্ডো এবং ড্রোন ক্যামেরা।