Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

বেনারসি থেকে বালুচরী, ভক্তদের দেওয়া শাড়ি-গয়নার নিলাম শুরু হল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে

বেনারসি থেকে বালুচরী, ভক্তদের দেওয়া শাড়ি-গয়নার নিলাম শুরু হল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে

শেষ আপডেট: 12 October 2023 17:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: পুজোর আগে ধুম পড়ল মায়ের বাড়ি শাড়ি কেনার। বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে প্রণামী হিসেবে জমা পড়া শাড়ি আর গয়নার নিলাম শুরু হয়েছে শনিবার থেকে। প্রধান পুরোহিত অরুণ ভট্টাচার্য  জানিয়েছেন, এই নিলামে যে অর্থ মিলবে তা বছরভর ব্যয় করা হবে মন্দিরের কাজে।

 শুক্রবারই নানা অনিয়মে শহরের একমাত্র শাড়ির হাট বন্ধ করেছে প্রশাসন। শনিবার সর্বমঙ্গলা মন্দিরে নিলাম শুরু হওয়ায় শাড়ি কেনার ভিড় জমে উঠেছে। বেনারসি, সাউথ ইন্ডিয়ান থেকে বালুচরী-তাঁত-সিন্থেটিক বা সুতির কাপড়। পাওয়া যাচ্ছে সবই। নিজের পছন্দটা শুধু বেছে নেওয়ার পালা। দামও যে খুবই কম।

 

মন্দিরের প্রধান পুরোহিত অরুণ ভট্টাচার্য জানান, প্রতিদিন দেবীকে শাড়ি-গয়না উৎসর্গ করেন ভক্তরা। যার যেমন সামর্থ। দেবীকে পরানোর পর রেখে দেওয়া হয় এইসব শাড়ি-গয়না। পুজোর আগে প্রতিবছর এগুলি নিলাম করা হয়। তিনি বলেন, “আজ যেমন নিলাম হচ্ছে আটশোর মতো শাড়ি। দু'দিন ধরে শাড়ি আর গয়না নিলাম হয়। শাড়ি বিশেষজ্ঞ আর ব্যবসায়ীরা আসেন। তারাই শাড়ি-গয়নার মান অনুযায়ী দাম ঠিক করে দেন। এরপরে আমজনতার কাছে বেছে নেওয়ার সুযোগ আসে। বাজার থেকে অনেক কম দামে এইসব শাড়ি পুজোর আগে পেয়ে যান সাধারণ মানুষ।

মন্দিরে আসা মোহিনী কোনার এদিন বলেন, “এটা একটা বড় সুযোগ। মায়ের বাড়ি আসাও হল। আবার শাড়ি কেনাও হল। প্রয়োজনও মিটল। পুণ্যার্জনও হল।” আগামীকাল রবিবার এই মন্দিরেই হবে সোনা নিলাম।

 এই মন্দিরে দেবী সর্বমঙ্গলা আসলে মা দুর্গা। অষ্টাদশভুজা তিনি। অনেকের মতে, এটিই অবিভক্ত বাংলায় প্রথম নবরত্ন স্থাপত্য রীতিতে তৈরি করা মন্দির। প্রতিদিন বহু মানুষ আসেন এখানে। এই মন্দিরটিকে অনেকে ৫১ সতীপীঠের একটি বলে মনে করেন। সেই মতে, এখানে দেবীর নাভি পড়েছিল।

 ঐতিহাসিকদের মতে, বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটি নির্মাণ করেন। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা দেবী সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে কম করে হাজার বছরের পুরোনো এই কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভুজা সিংহবাহিনী মহিষাসুরমর্দিনী মূর্তিটি। এটি দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা স্যার উদয় চাঁদ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে, তাদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এবারে জেলা প্রশাসন এই ট্রাস্টের দায়িত্ব নিয়েছেন।


```