দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। এমনটাই দাবি করেছিলেন পাকিস্তানের কয়েকজন মানবাধিকারকর্মী। তাঁদের একজন ইতিমধ্যে নিখোঁজ। আর একজনের ফেসবুকে নজর রাখছে পাকিস্তানি সেনা।
মানবাধিকারকর্মীরা বলেছেন, সেনাবাহিনী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাওয়া অপরাধ বলেই মনে করে। কেউ তেমন কথা বললে তারা খুব রেগে যায়।
সম্প্রতি পাকিস্তানের জঙ্গিদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে বেজায় বিপাকে পড়েছেন সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার পরেই জানা যাচ্ছে, সেনাবাহিনীর নজরে আছেন মানবাধিকারকর্মীরাও।
গত ডিসেম্বরেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী রাজা খান। ২ ডিসেম্বর তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক সেমিনারে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যান। পরে দেখা যায়, কে বা কারা তাঁর বাড়ি থেকে কম্পিউটারটি তুলে নিয়ে গিয়েছে। রাজা খানের বন্ধুদের ধারণা, তিনি এখন সেনাবাহিনীর হেপাজতে রয়েছেন।
রাজা খান নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই মিডিয়ায় পাক আর্মির বিরুদ্ধে সরব হন আর এক মানবাধিকারকর্মী দীপ সাইদা। তখন থেকে আর্মি তাঁর ফেসবুকে নজর রাখতে শুরু করে। তিনি প্রথমে বুঝতেই পারিনি তাঁর ফেসবুক হ্যাক করা হয়েছে। ব্যাপারটা প্রথমে ধরতে পারে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
দীপ সাইদা বলেন, আগেও গুপ্তচররা আমার ওপরে নজর রাখত। রোজ দেখতাম, দুটো অচেনা লোক আমার বাড়ির সামনে ঘোরাফেরা করছে। কিন্তু কম্পিউটারে আড়ি পেতে তারা আমার সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানতে পেরেছে। সেনাবাহিনী এইভাবে অপছন্দের লোকজনের ওপরে চাপ সৃষ্টি করে। অনেকে এই চাপের মুখে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।