
শেষ আপডেট: 7 September 2020 18:30
উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার বাসিন্দা। মীরাটের লালা লাজপত রাই মেমোরিয়ার মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করেছেন এসপি রবীন কুমার। কিন্তু পরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেন। আইপিএস পাশ করার পরে প্রাথমিকভাবে অসমের সোনিতপুর জেলায় পোস্টিং হয়েছিল তাঁর। সেই সময় তেজপুর শহরের পুলিশ রিজার্ভে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করেছিলেন তিনি। পুলিশ কর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাও করতেও রবীন। গত বছর বরপেটার এসপি হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। প্রশাসনের দায়িত্ব বাড়লেও চিকিৎসকের ব্রত থেকে বেরিয়ে আসেননি ডক্টর রবীন কুমার। বরপেটাতেও একইভাবে পুলিশ অফিসার ও ডাক্তারবাবু হয়েই কাজ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি বরপেটাতেই বিশেষ করোনা ক্যাম্প তৈরি করেছেন রবীন কুমার। ৫০ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে ৯৫ জন পুলিশ অফিসারের স্ক্রিনিং ও টেস্ট করা হয়েছে সেখানে।
ডক্টর রবীন বলেছেন, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ কর্তারা লকডাউনের মধ্যে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। করোনা রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, কোথাও বা জরুরি পণ্য পৌঁছে দেওয়া, পাশাপাশি লকডাউনের বিধিনিষেধ রক্ষা করা, সব কাজই করতে হচ্ছে তাঁদের। সংক্রামিতদের সংস্পর্শেও আসছেন পুলিশ কর্মীরা। অথচ নিজেদের খেয়াল রাখার সময় নেই তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের দেখভাল করাটা সবচেয়ে আগে জরুরি।
“অসম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বলেছিলেন সমস্ত এসপি, পুলিশ কর্মী, কনস্টেবলদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। বিশেষত ৫০-৬০ বছরের মধ্যে বয়স যাঁদের, তাঁদের কোভিড টেস্ট ও অন্যান্য পরীক্ষা করানো হবে। এখন সেই কাজই দায়িত্ব নিয়ে করছি আমি,” বলেছেন আইপিএস রবীন কুমার। পুলিশকর্মীদের মধ্যে যাঁদের হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের মতো সমস্যা রয়েছে তাঁদের যাতে বাইরে ঘুরে কাজ করতে গিয়ে ভাইরাসের ঝুঁকি না বাড়ে, তাই তাঁদের ডেস্কে বসে কাজ করারও ব্যবস্থা করেছেন পুলিশ সুপার রবীন কুমার।