Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

স্টেথো হাতে রোগী দেখছেন, আইনের রক্ষাও করছেন, অসমের পুলিশ সুপারের দ্বৈত ভূমিকার প্রশংসায় উপরাষ্ট্রপতিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রশাসনের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কড়া হাতে। আবার স্টেথো নিয়ে রোগীর চিকিৎসাও করছেন। তিনি ডাক্তার, আবার আইপিএস অফিসারও। করোনা সঙ্কটকালে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের সেবা করেছেন। আবার সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসনের নিয়ম মেনে একাধিক পদক্ষে

স্টেথো হাতে রোগী দেখছেন, আইনের রক্ষাও করছেন, অসমের পুলিশ সুপারের দ্বৈত ভূমিকার প্রশংসায় উপরাষ্ট্রপতিও

শেষ আপডেট: 7 September 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রশাসনের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কড়া হাতে। আবার স্টেথো নিয়ে রোগীর চিকিৎসাও করছেন। তিনি ডাক্তার, আবার আইপিএস অফিসারও। করোনা সঙ্কটকালে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের সেবা করেছেন। আবার সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসনের নিয়ম মেনে একাধিক পদক্ষেপও করেছেন। আইনের রক্ষক, রোগীদের ভরসা অসমের তরুণ আইপিএস অফিসার, বরপেটার পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট রবীন কুমারের এই দ্বৈত ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুও। পুলিশের উর্দি গায়েই স্টেথো নিয়ে রোগী দেখছেন রবীন কুমার এমন ছবি দিনকয়েক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। পুলিশ অফিসার ডাক্তারবাবুকে সেলাম ঠুকেছিল দেশবাসী। সেই ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডে পোস্ট করে উপরাষ্ট্রপতি লিখেছেন, “দেশসেবার এক মহান রূপ। কোভিড সংক্রমণের এই পর্যায়ে বরপেটার এসপি রবীন কুমারের দ্বৈত ভূমিকাকে সম্মান জানাচ্ছি।” https://twitter.com/VPSecretariat/status/1302814859608748032 অসম পুলিশের গর্ব রবীন কুমার কিন্তু এত প্রশংসা পেয়েও বিচলিত নন। বরং তিনি একমনে রোগীর সেবায় ব্যস্ত। আবার প্রশাসনের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন দক্ষ হাতে। বলেছেন, “আমি ভাগ্যবান যে ডাক্তার হয়ে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারছি, আবার পুলিশ অফিসার হয়ে আইনের রক্ষাও করতে পারছি। করোনা পরিস্থিতিতে ডাক্তার, পুলিশদের কাজের চাপ অনেক বেড়ে গেছে। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত তাঁরা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাই তাঁদের দায়িত্বটা একটু ভাগ করে নিলাম।” বরপেটা পুলিশ রিজার্ভে ৫০ শয্যার কোভিড কেয়ার সেন্টার তৈরি করেছেন রবীন কুমার। সেখানে চারটি আইসিইউ বেড রয়েছে। ৩২ শয্যার জেনারেল ওয়ার্ড এবং ১৪ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে। মূলত পুলিশকর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এখানে চিকিৎসা পাচ্ছেন। পাশাপাশি, মহিলা ও বৃদ্ধদের জন্য স্বাস্থ্যশিবিরও করছেন রবীন কুমার। Assam cop's medical degree comes handy in running COVID-19 care centre উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার বাসিন্দা। মীরাটের লালা লাজপত রাই মেমোরিয়ার মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করেছেন এসপি রবীন কুমার। কিন্তু পরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেন। আইপিএস পাশ করার পরে প্রাথমিকভাবে অসমের সোনিতপুর জেলায় পোস্টিং হয়েছিল তাঁর। সেই সময় তেজপুর শহরের পুলিশ রিজার্ভে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করেছিলেন তিনি। পুলিশ কর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাও করতেও রবীন। গত বছর বরপেটার এসপি হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। প্রশাসনের দায়িত্ব বাড়লেও চিকিৎসকের ব্রত থেকে বেরিয়ে আসেননি ডক্টর রবীন কুমার। বরপেটাতেও একইভাবে পুলিশ অফিসার ও ডাক্তারবাবু হয়েই কাজ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি বরপেটাতেই বিশেষ করোনা ক্যাম্প তৈরি করেছেন রবীন কুমার। ৫০ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে ৯৫ জন পুলিশ অফিসারের স্ক্রিনিং ও টেস্ট করা হয়েছে সেখানে। ডক্টর রবীন বলেছেন, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ কর্তারা লকডাউনের মধ্যে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। করোনা রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, কোথাও বা জরুরি পণ্য পৌঁছে দেওয়া, পাশাপাশি লকডাউনের বিধিনিষেধ রক্ষা করা, সব কাজই করতে হচ্ছে তাঁদের। সংক্রামিতদের সংস্পর্শেও আসছেন পুলিশ কর্মীরা। অথচ নিজেদের খেয়াল রাখার সময় নেই তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের দেখভাল করাটা সবচেয়ে আগে জরুরি। “অসম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বলেছিলেন সমস্ত এসপি, পুলিশ কর্মী, কনস্টেবলদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। বিশেষত ৫০-৬০ বছরের মধ্যে বয়স যাঁদের, তাঁদের কোভিড টেস্ট ও অন্যান্য পরীক্ষা করানো হবে। এখন সেই কাজই দায়িত্ব নিয়ে করছি আমি,” বলেছেন আইপিএস রবীন কুমার। পুলিশকর্মীদের মধ্যে যাঁদের হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের মতো সমস্যা রয়েছে তাঁদের যাতে বাইরে ঘুরে কাজ করতে গিয়ে ভাইরাসের ঝুঁকি না বাড়ে, তাই তাঁদের ডেস্কে বসে কাজ করারও ব্যবস্থা করেছেন পুলিশ সুপার রবীন কুমার।

```