দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের মুখ দুনিয়ার দরবারে উজ্জ্বল করেও মেলে না ন্যূনতম স্বীকৃতি। আর্থিক সাহায্য তো দূরের কথা। পকেট থেকে লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশের মাটিতে তাঁদের জয়লাভের ব্যাপারে সরকারের ঔদাসীন্য মেনে নেওয়া যায় না। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ করলেন ভারতের মহিলা পাওয়ার লিফটার আরতি অরুণ।
সম্প্রতি হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়ান পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের নাম উজ্জ্বল করেন আরতি অরুণ। দেশের জার্সিতে সোনার পদক জেতেন তিনি। সেই আরতিই দেশে ফিরে এ বার একহাত নিলেন সরকারকে। কারণ তাঁদের সঠিক ভাবে গুরুত্ব এবং স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য ঠিকমতো এগোতেই পারছেন না তাঁরা। অথচ নিজেদের পরিশ্রম ও চেষ্টার সঙ্গে যদি একটুখানি সরকারি সাহায্য মিলত, তা হলেই হয়তো অনেক দূর ছুটত সাফল্যের গাড়ি।
আরতি শুধু এক জন পাওয়ার লিফটার নন, সেই সঙ্গে এক জন ডেন্টাল সার্জেনও। পেশার পাশাপাশিই চালিয়ে যান অনুশীলনী। সময়, অর্থ-- সবেরই অভাব। তার মধ্যেও ছাড়েননি নিজের প্যাশন। তার পরেও দেশের জার্সিতে তাঁর বা তাঁর মতো আরও যাঁরা আছেন, তাঁদের সাফল্যকে সেই ভাবে সরকারি স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, নিজের পকেট থেকে দেড় লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে তাঁকে।
আরতির এই ক্ষোভ টুইটারে প্রকাশ করে সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই। টুইটে লেখা, “এশিয়ান পাওয়ার লিফটিংয়ে সোনার পদক জেতার পরে আমি বেশ হতাশ হয়ে পড়ি। আমি ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করি বিশ্বের সামনে। কিন্তু তার কোনও মর্যাদাই পাইনি। নিজের টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা খরচ করেছি নিজের খেলার জিনিসপত্র কেনার জন্য। সরকার থেকে কোনও সাহায্য পাইনি”।
https://twitter.com/ANI/status/1125449733357670400
তিনি আরও জানান, “এই ভাবে খরচ করে কত দূর এগোব আমরা? এই উদাসীনতার কারণে, টাকার অভাবে, বহু পাওয়ার লিফটাররা হারিয়ে যাচ্ছেন।”