.jpeg)
শওকত মোল্লা ও আরাবুল ইসলাম।
শেষ আপডেট: 18 December 2024 18:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শওকত মোল্লা বনাম আরাবুল ইসলাম! একসময় রাজনীতির ময়দানে তাঁরা ছিলেন পরস্পরের ঘোরতর বিরোধী। পালা বদলের পর মুকুল রায়ের হাত ধরে সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগ দেন শওকত। অনেকেই ভেবেছিলেন, এবার বোধহয় শওকত-আরাবুলের দ্বন্দ্ব মিটল!
বাস্তব ঘটনা হল, সেই দ্বন্দ্ব মেটেনি, বরং বেড়েছে আরও বহুগুণ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শওকত আরাবুলকে আইনি নোটিস ধরিয়েছেন। পাল্টা হিসেবে আরাবুল বলছেন, 'আমি নিশ্চয়ই চুপ করে বসে থাকব না!' ফলে শাসকদলের দুই নেতার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ক্রমেই উত্তাপ বাড়ছে ভাঙড়ের রাজনীতিতে।
প্রসঙ্গত, ভাঙড়ের প্রাক্তন দাপুটে সিপিএম নেতা শওকত তৃণমূলে আসার পর থেকে ক্রমেই গুরুত্ব কমেছে আরাবুলের। এমনকী নিজের সরকারের আমলেই লোকসভা ভোটের আগে খুন-সহ সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের একাধিক অভিযোগে ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এই মুহূর্তে জামিনে মুক্ত রয়েছেন তিনি।
তবে জামিনে মুক্তির পর থেকেই ফের শওকতের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগতে শুরু করেছেন তিনি। সম্প্রতি দলের এক অনুষ্ঠান থেকে নাম না করে শওকতকে আক্রমণ করে আরাবুল বলেছিলেন, উন্নয়নের অর্থ থেকে কাটমানি নেন শওকত।
এ প্রসঙ্গেই আরাবুলকে আইনি নোটিস ধরিয়েছেন শওকত। এদিন দ্য ওয়ালকে তিনি বলেন, "১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে মানহানির মামলা করব। ওকে আবার জেলের ভাত খাওয়াব।" সূত্রের খবর, দলীয় রাজনীতিতে শওকত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। যদিও শওকতের আইনি নোটিসকে গুরুত্ব দিতে নারাজ আরাবুল। তিনি বলেন, "এসব ফাঁকা আওয়াজে কিস্যু হবে না! আমি নিশ্চয়ই চুপ করে বসে থাকব না।"
সূত্রের খবর, দু'পক্ষের রণংদেহী আচরণের জেরে ক্রমেই ভাঙড়ের রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। যদিও এ ব্যাপারে দলের জেলা নেতাদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।