Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের

মোদীর জুতোয় পা গলালেন না স্ট্যালিন, মে ডে-তে ‘শ্রমিক বিরোধী’ বিল প্রত্যাহার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিতর্কিত সেই ‘শ্রমিক বিরোধী’ বিল (anti-labour bill) প্রত্যাহার করে নিলেন তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন (MK Stalin) । গত দু’ বছর ধরে চলা অশান্তির নিরসন হল মে ডে অর্থাৎ শ্রমিক দিবসে। তামিলনাড়ু সর

মোদীর জুতোয় পা গলালেন না স্ট্যালিন, মে ডে-তে ‘শ্রমিক বিরোধী’ বিল প্রত্যাহার

শেষ আপডেট: 1 May 2023 05:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিতর্কিত সেই ‘শ্রমিক বিরোধী’ বিল (anti-labour bill) প্রত্যাহার করে নিলেন তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন (MK Stalin) । গত দু’ বছর ধরে চলা অশান্তির নিরসন হল মে ডে অর্থাৎ শ্রমিক দিবসে।

তামিলনাড়ু সরকারের আনা এই শ্রম আইন সংশোধন বিলটির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী সরকারের তিন কৃষি আইনের অনেক ক্ষেত্রেই মিল আছে। দুই সরকারই সংস্কারের কথা বলে এগতে চেয়েছিল। কৃষি আইন নিয়ে মোদী সরকারের বক্তব্য ছিল চাষিদের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন বারে বারে দাবি করে এসেছেন, শ্রমিকদের ভাল চেয়ে তিনি শ্রম আইন সংশোধন করে নতুন ফ্যাক্টরি বিল এনেছেন। এতে শ্রমিক, মালিক, উভয়ের ভাল হবে।

কৃষি আইনের মতোই তামিলনাড়ুর ফ্যাক্টরি আইনও তুমুল বিরোধিতার মুখে পড়ে। এমনকী শাসক দল ডিএমকে-র শ্রমিক সংগঠনও পথে নামে। আপত্তি তোলে সরকারের শরিক কংগ্রেস এবং সিপিএম ও সিপিআই। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দু’ বছর আন্দোলনের পর সেটি প্রত্যাহার করে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই আইনের বিরুদ্ধে মূলত পথে নেমেছিলেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের কৃষকেরা। আন্দোলনকারীদের বড় অংশ ছিলেন শিখ। প্রধানমন্ত্রী তাই গুরু নানকের জন্মদিনে কৃষি আইন প্রত্যাহারের সুখবর দিয়েছিলেন।

স্ট্যালনও মে ডে অর্থাৎ শ্রমিক দিবসকে সামনে রেখে বিতর্কিত ফ্যাক্টরি বিল প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেছেন। আসলে বিলটি ঘিরে স্ট্যালিন শুধু শ্রমিকদের বিরাগ ভাজন হয়েছিলেন তাই-ই নয়, রাজনৈতিকভাবেও তাঁর বিরুদ্ধে নরেন্দ্র মোদীর জুতোয় পা গলানোর অভিযোগ উঠেছিল।

কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিতর্কিত শ্রম কোড মেনে তামিলনাড়ুর ফ্যাক্টরি বিল তৈরি করেছিলেন স্টালিন। বিলটি বিধানসভায় পাশ করানোর পর চাপের মুখে সেটি কার্যকর করেননি। পাঠাননি রাজ্যপালের অনুমোদনের জন্য। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এন রবি অনেক বিল আটকে রাখলেও ফ্যাক্টরি বিলে সায় দিতেন। কারণ সেটি কেন্দ্রের শ্রম কোড মেনে তৈরি হয়েছিল। এই অবস্থায় স্ট্যালিন তাঁর সঙ্গে মোদী ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে চাইছিলেন। তাই বিল নিয়ে জেদাজেদির পথে হাঁটলেন না।

ওই বিলে শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী কী ছিল?
কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম কোড মেনে তাতে আট ঘণ্টার জায়গায় ১২ ঘণ্টা কাজের কথা বলা হয়েছিল। অথচ অতিরিক্ত চার ঘণ্টা কাজের জন্য বাড়তি মজুরি দেওয়ার কথা বলা ছিল না। ওভারটাইম শব্দটিই তুলে নেওয়া হয়েছে বিল থেকে।

আবার মালিকদের সপ্তাহে চারদিন কারখানা খোলার রাখা অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তাতে শ্রমিকরা আরও মার খেতেন। কারণ, কারখানা বন্ধের দিন তাদের মজুরি দেওয়ার বিধান রাখা হয়নি বিলে। যদিও মোটের উপর সব শ্রমিকেরই দৈনিক চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

সরকারের এই বিল নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছিল স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র শ্রমিক ইউনিয়ন। বিজেপি বাদে সব বিরোধী দলও আপত্তি তোলে। বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানায় সরকারের শরিক কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআই।

শ্রমিক দিবস: বঙ্গোদয় থেকে পিয়ারলেস এবং শ্মশানের শান্তি উদযাপনের দিন


```