Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মিলল চোদ্দোটি ম্যামথের কঙ্কাল-সহ পনেরো হাজার বছরের পুরনো হাতি ধরার ফাঁদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পনেরো হাজার বছরের পুরনো একটি হাতি ধরার ফাঁদ আবিষ্কার করলেন নৃতত্ত্ববিদরা। ম্যামথ শিকার করার জন্যই এই ফাঁদ (পিট) কাটা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। হাতি ধরার জন্য যত ফাঁদ এ পর্যন্ত মেক্সিকোয় আবিষ্কৃত হয়েছে, তার মধ্যে এটিই সব

মিলল চোদ্দোটি ম্যামথের কঙ্কাল-সহ পনেরো হাজার বছরের পুরনো হাতি ধরার ফাঁদ

শেষ আপডেট: 9 November 2019 10:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পনেরো হাজার বছরের পুরনো একটি হাতি ধরার ফাঁদ আবিষ্কার করলেন নৃতত্ত্ববিদরা। ম্যামথ শিকার করার জন্যই এই ফাঁদ (পিট) কাটা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। হাতি ধরার জন্য যত ফাঁদ এ পর্যন্ত মেক্সিকোয় আবিষ্কৃত হয়েছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে পুরনো। শুধু ফাঁদই নয়, এখান যে সব হাড়গোড় পাওয়া গেছে তা কমপক্ষে ১৪টি ম্যামথের বলে মনে করছেন গবেষকরা। মেক্সিকো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানথ্রোপলজি অ্যান্ড হিস্ট্রির গবেষকরা জানিয়েছেন, দুটি ফাঁদ থেকে ম্যামথের ৮১৪টি হাড় পাওয়া গেছে, যা থেকে তাঁদের ধারনা, হাড়গুলি অন্তত ১৪টি ম্যামথের। [caption id="attachment_157475" align="aligncenter" width="600"] উদ্ধার হওয়া ম্যামথের দাঁত[/caption] মেক্সিকো সিটির উত্তরে তুলতেপেক নামক স্থানে পাঁচ জনের একটি দল উৎখনন করছিলেন। শিকারীরা একজোট হয়ে কী ভাবে বড় মাপের মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কাবু করত, সেবিষয়ে তাঁরা গবেষণা করছেন। গবেষক দলের প্রধান হলেন লুইস কর্ডোভা বারাডাস। তাঁরা মনে করেন, মশাল জ্বালিয়ে ভয় দেখিয়ে ৬ ফুট গভীর ও ২৫ গজ গর্তের মধ্যে এনে ফেলত। তবে একটি হাতির খুলিতে একেবারে সামনের দিকে বর্শা দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লুইস কর্ডোভা বারাডাস বলেন, “শিকারীরা যে ম্যামথদের উপরে হামলা করত, এর আগে এমন প্রমাণ তেমন পাওয়া যায়নি। এতদিন মনে করা হত, ম্যামথদের ভাগিয়ে এনে ডোবা বা গর্তে ফেলা হত, তারপরে তাদের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করত। কিন্তু এই প্রথম এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল, যাতে দেখা যাচ্ছে যে, ম্যামথদের সরাসরি আক্রমণ করে শিকার করা হত।” জঞ্জাল ফেলার জায়গা করা হবে বলেও প্রথম খোঁড়া শুরু হয়, তখনই এখনে হাতির ফাঁদের অস্তিত্বের প্রমাণ মেলে। গবেষকদের ধারণা, এই জায়গায় অন্তত ছটি হাতির দল থাকত। গবেষকরা জানিয়েছেন, সবেমাত্র হাড়গুলি পাওয়া গেছে, গবেষণা করে দেখতে হবে শিকারীরা ঠিক কী ভাবে তাদের শিকার করত। এ ব্যাপারে বহু প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। শুধুমাত্র ডান কাঁধের হাড় গেছেও বলেও গবেষকরা বিস্মিত। লুইস কর্ডোভা বারাডাস বলেন, “বাঁ কাঁধের হাড়গুলো (লেফট শোল্ডার ব্লেড) পাওয়া যাচ্ছে না – কেন?” শুধু ম্যামথের হাড়গোড়ই নয়, আরও কয়েকটি প্রাণীর অবশেষও পাওয়া গেছে পনেরো হাজার বছরের পুরনো গর্তে। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে উটের চোয়াল ও মেরুদণ্ডের হাড় এবং ঘোড়ার দাঁত। এই দু’টি প্রাণীও আমেরিকা থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে বহু আগে।

```